মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধে রাশিয়ার পর এবার চীনের ভূমিকা নিয়ে নতুন উদ্বেগ। CNN-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, তিনজন সূত্র (US ইন্টেলিজেন্সের সঙ্গে পরিচিত) জানিয়েছে যে চীন ইরানকে আর্থিক সাহায্য, স্পেয়ার পার্টস এবং মিসাইল কম্পোনেন্ট সরবরাহের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এটা যুদ্ধে চীনের সরাসরি যোগদানের ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ যুদ্ধের আগুন এবার রান্নাঘরেও! দাম বাড়ছে ভোজ্যতেলের
কী বলছে রিপোর্ট?
– চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, তারা আন্তর্জাতিক আইন মেনে ব্যবসা করে—কিন্তু US-এর স্যাঙ্কশন সত্ত্বেও চালিয়ে যাচ্ছে।
– হরমুজ প্রণালী বন্ধের কারণে চীন চাপ দিচ্ছে ইরানকে যাতে তেল ও গ্যাসের জাহাজ নিরাপদে চলতে পারে (Reuters, Bloomberg, Guardian রিপোর্ট)।
– চীন ইরানকে মিসাইল প্রোগ্রাম রিবিল্ডে সাহায্য করছে—সোডিয়াম পারক্লোরেট (solid propellant-এর প্রধান উপাদান) চীন থেকে শিপমেন্ট এসেছে (CNN-এর পুরনো রিপোর্ট, ২০২৫-এর শেষভাগে)।
– চীন সরাসরি অস্ত্র সাপ্লাই অস্বীকার করে, কিন্তু dual-use টেকনোলজি (রাডার, মিসাইল কম্পোনেন্ট, সার্ভেইল্যান্স) দিয়ে সাহায্য করছে বলে অভিযোগ।
– চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, তারা আন্তর্জাতিক আইন মেনে ব্যবসা করে—কিন্তু US-এর স্যাঙ্কশন সত্ত্বেও চালিয়ে যাচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ পাইকপাড়ায় একের পর এক বিস্ফোরণ, উড়ল বহুতলের ছাদ
ভারতের জন্য প্রভাব
– চীন যদি ইরানকে আরও সাহায্য করে, তাহলে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হবে—হরমুজ প্রণালীতে আরও অস্থিরতা, তেলের দাম বাড়বে (Brent ইতিমধ্যে $৮৪+)।
– ভারতের তেল আমদানির ২০%+ গাল্ফ থেকে—চীনের চাপে হরমুজ খোলা রাখা হলে ভারতের সাপ্লাই সুরক্ষিত হতে পারে।
– কিন্তু চীনের সরাসরি যোগদান হলে ভারত-চীন সম্পর্কে নতুন চাপ আসবে—ভারত নিরপেক্ষতা বজায় রেখে সব পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে।
– রাশিয়া ইরানকে US ফোর্সের লোকেশনের ইন্টেল দিচ্ছে (CNN রিপোর্ট)—চীন যোগ দিলে যুদ্ধ আরও জটিল হবে।
চীন সরাসরি যুদ্ধে না ঢুকে অর্থনৈতিক-প্রযুক্তিগত সাপোর্ট দিয়ে ইরানকে শক্তিশালী করছে বলে মনে হচ্ছে।









