Thursday, 15 October, 2026
15 October
Homeআবহাওয়াWeather: মহাপঞ্চমীর সন্ধ্যায় দুর্যোগের মেঘ! কলকাতা ও সংলগ্ন জেলায় বজবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টির...

Weather: মহাপঞ্চমীর সন্ধ্যায় দুর্যোগের মেঘ! কলকাতা ও সংলগ্ন জেলায় বজবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। সেই সঙ্গে প্রবল বজ্রপাতের আশঙ্কার কথা জানানো হয়েছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বিশেষ আবহাওয়া প্রতিনিধি, কলকাতা:

দুর্গাপুজোর আনন্দের আবহেই মহাপঞ্চমীর সন্ধ্যায় দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়ায় নামল আশঙ্কার কালো মেঘ। বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত নিম্নচাপের প্রভাবে কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে দফায় দফায় শক্তিশালী বজ্রগর্ভ মেঘ সঞ্চারিত হতে শুরু করেছে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েক ঘণ্টায় রাজধানী কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের তীব্র সম্ভাবনা রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ পুরীর পরিচয় কেবল জগন্নাথ সংস্কৃতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; ওড়িশার শাক্ত ও তান্ত্রিক ঐতিহ্যের পুরীর প্রাচীন সপ্তমাতৃকা ও চামুণ্ডা বিগ্রহ

সম্ভাব্য প্রভাবিত জেলাসমূহ

নিম্নচাপের জেরে যে জেলাগুলিতে বৃষ্টির প্রকোপ সবচেয়ে বেশি দেখা যেতে পারে:

  • কলকাতা ও হাওড়া

  • উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা

  • পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর

  • হুগলি এবং দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ অঞ্চল

আরও পড়ুনঃ চরম সতর্কতা জারি! সমুদ্রের জল সরে গেল দেড় কিলোমিটার! তাজপুরের আকস্মিক ঘটনায় বিস্মিত স্থানীয় ও মৎস্যজীবীরা

আবহাওয়া দপ্তরের সতর্কতা ও সাধারণ মানুষের জন্য পরামর্শ

মহাপঞ্চমীর সন্ধ্যায় যখন মণ্ডপে মণ্ডপে দর্শনার্থীদের ভিড় জমতে শুরু করেছে, ঠিক সেই সময়েই এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ পুজো উদ্যোক্তা ও প্যান্ডেল-হপারদের চিন্তায় ফেলেছে। পরিস্থিতির ওপর নজর রেখে আবহাওয়া দপ্তরের তরফে বেশ কিছু সতর্কতা জারি করা হয়েছে:

  • ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রপাত: বৃষ্টির সঙ্গে সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। সেই সঙ্গে প্রবল বজ্রপাতের আশঙ্কার কথা জানানো হয়েছে।

  • সাময়িক জলমগ্নতা: নিচু এলাকা এবং পুজো মণ্ডপ সংলগ্ন রাস্তায় সাময়িকভাবে জল জমে চলাচলে বিঘ্ন ঘটতে পারে।

  • সুরক্ষা ব্যবস্থা: বজ্রপাতের সময় দর্শনার্থীদের খোলা মাঠে না দাঁড়িয়ে, গাছের নিচে আশ্রয় না নিয়ে অথবা জলাশয়ের কাছাকাছি না থেকে নিরাপদ আশ্রয় বা পাকা ছাদের নিচে থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

উৎসবের দিনগুলিতে ঠাকুর দেখতে বেরোনোর আগে ছাতা ও প্রয়োজনীয় সুরক্ষা সামগ্রী সঙ্গে রাখা এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সরকারি ও বিপর্যয় মোকাবিলা কর্তৃপক্ষের নির্দেশাবলী মেনে চলার আর্জি জানানো হয়েছে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন