ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক বা বৈশ্বিক শব্দের ধারা ভেঙে এবার সম্পূর্ণ নতুন একটি শব্দকে ‘ওয়ার্ড অফ দ্য ইয়ার’ বা বর্ষসেরা শব্দ হিসেবে বেছে নিল Dictionary.com। ইন্টারনেটে ঝড় তোলা স্লাং টার্ম “67” (উচ্চারণ: সিক্স-সেভেন)-কে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৫ সালের বর্ষসেরা শব্দ হিসেবে ঘোষণা করেছে।
এই শব্দটার মানে ইচ্ছে করেই একটু ঝাপসা রাখা হয়েছে। নতুন প্রজন্মের মজার ‘ব্রেনরট স্ল্যাং’-এর অংশ এটি। মূলত অর্থহীন, হাস্যকর—মজা করার জন্যই ব্যবহার হয়। ডিকশনারি ডট কম বলছে, শব্দটি খুব সাধারণভাবে “হয়তো এটা, হয়তো ওটা”—এমন অর্থেও চলতে পারে। তবে আসল ব্যাপার হল, এই শব্দটাকে নিয়ে একদম সিরিয়াস হওয়া যাবে না। শুধুই মজা, মুড আর মিমের মতো ব্যবহার!
আরও পড়ুনঃ শিলিগুড়িতে পরিকল্পনাহীন সরকারি কাজ! চাকা যেন এগোতেই চায় না; নাকাল পথচলতি মানুষ
এই শব্দটার মানে ইচ্ছে করেই একটু ঝাপসা রাখা হয়েছে। নতুন প্রজন্মের (Gen Alpha) মজার ‘ব্রেনরট স্ল্যাং’-এর অংশ এটি। মূলত অর্থহীন, হাস্যকর—মজা করার জন্যই ব্যবহার হয়। ডিকশনারি ডট কম বলছে, শব্দটি খুব সাধারণভাবে “হয়তো এটা, হয়তো ওটা”—এমন অর্থেও চলতে পারে। তবে আসল ব্যাপার হল, এই শব্দটাকে নিয়ে একদম সিরিয়াস হওয়া যাবে না। শুধুই মজা, মুড আর মিমের মতো ব্যবহার!
Dictionary.com বলছে, এই শব্দটা যেভাবে খুশি বদলে ব্যবহার করা যায়। তাই এটাকে ‘ব্রেনরট স্ল্যাং’ বলা হয়। ইচ্ছে করেই এটাকে একটু অর্থহীন, হাস্যকর আর উদ্ভটভাবে ব্যবহার করা হয়।
এই শব্দটার সূত্র পাওয়া যায় র্যাপার স্ক্রিলার ২০২৪ সালের গান “Doot Doot (67)” থেকে। গানটিতে বারবার “সিক্স-সেভেন” বলা হয়। টিকটক ক্রিয়েটররা পরে এই সাউন্ডটা লামেলো বলের হাইলাইট ভিডিওতে ব্যবহার করতে শুরু করেন, কারণ তার উচ্চতা ৬ ফুট ৭ ইঞ্চি।
আরও পড়ুনঃ বড় সাফল্য; মায়ানমার সীমান্তে ১১ পাকিস্তানিসহ অস্ত্র চোরাচালানকারীর দল আটক
‘দ্য 67 কিড’: সোশ্যাল মিডিয়া ক্রিয়েটর ক্যামের এক ভিডিওতে দেখা যায়—এক বালক বাস্কেটবল ম্যাচ চলাকালীন ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে বারবার ‘সিক্স-সেভেন’ বলছে। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর সবাই তাকে “দ্য 67 কিড” নামে ডাকতে শুরু করে। তার হাত দু’টো ওপর-নীচে নাড়ানোর যে ভঙ্গি—সেটাই এই মিমের মূল সিগনেচার হয়ে যায়।
Dictionary.com বলছে, “67” আজকের ইন্টারনেট স্ল্যাং-এর ধরনটাকেই দেখায়, যা খুব দ্রুত বদলায়, ঠিক কোনও নির্দিষ্ট নিয়ম মানে না, আর একেকটা অনলাইন কমিউনিটিই এগুলো ছড়িয়ে দেয়। এটা দেখায়, নতুন প্রজন্ম সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ভাষাকে কীভাবে নতুনভাবে তৈরি করছে। তাই Dictionary.com এটিকে এক ধরনের “ভাষার টাইম ক্যাপসুল” বলেছে—যা এই সময়ের ইন্টারনেট-কালচারের ছবি ধরে রাখে।
স্টিভি জনসন, পিএইচডি এবং ডিকশনারি মিডিয়া গ্রুপের ডিরেক্টর, বলেন—“67” শুধু একটি মিম নয়। এটি আসলে একটি আবেগসূচক শব্দের মতো, যা মানুষের মধ্যে শক্তি ও সংযোগ তৈরি করে। এমনকি সবাই এর সঠিক মানে ঠিক করার আগেই। বর্ষসেরা শব্দের দৌড়ে আরও ছিল “ম্যাগনেটিক,” “অরা ফার্মিং,” “জেন জি স্টেয়ার,” আর “ওভারট্যুরিজম”। কিন্তু “67”-এর মতো এত বড় সাংস্কৃতিক প্রভাব বা ভাইরাল শক্তি অন্য কোনও শব্দই তৈরি করতে পারেনি।









