রাজ্যের একাধিক জায়গায় ফের তল্লাশি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের(ED)। শুক্রবার সকাল থেকে একসঙ্গে রাজ্যের ২৫টি জায়গায় তল্লাশি শুরু করেছেন ইডি আধিকারিকরা। কলকাতা-সহ পুরুলিয়া, আসানসোল, দুর্গাপুরে তল্লাশি চলছে। সূত্রের খবর, কয়লা পাচার সংক্রান্ত মামলায় এই তল্লাশি চালাচ্ছেন ইডি আধিকারিকরা। বাংলা-ঝাড়খণ্ড সীমান্তে কয়লা মাফিয়ার বাড়িতেও চলছে তল্লাশি। ঝাড়খণ্ডের ধানবাদেরও একাধিক জায়গায় হান দিয়েছে ইডি।
আরও পড়ুনঃ কলকাতা মেট্রোর শীর্ষ কর্তাদের দীর্ঘ বৈঠক; AI নজরদারি কলকাতা মেট্রোয়
এদিন সকালে সল্টলেকের দুটি জায়গায় পৌঁছে যান ইডি আধিকারিকরা। সল্টলেকে সেক্টর-২তে এক ব্যবসায়ীর বাড়ি ঘিরে ফেলে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ইডি আধিকারিকরা বাড়িতে ঢুকে তল্লাশি চালাতে শুরু করেন। সল্টলেকের একে ব্লকেও এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে হানা দেন ইডি আধিকারিকরা। হাওড়ার সলপ মোড়েও এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে চলছে তল্লাশি।
কয়লা পাচার মামলায় তদন্ত চালাচ্ছে ইডি। সম্প্রতি সিবিআই আদালতে ইডি জানিয়েছিল, কয়লা পাচার মামলায় খুব শীঘ্রই সামনে আসবে প্রভাবশালীদের নাম। তারপরই এদিন রাজ্যের ২৫ জায়গায় একসঙ্গে হানা দিল ইডি।
আরও পড়ুনঃ ভেঙ্গে যাবে INDIA, অস্তিত্বই সঙ্কটে; চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছে বিহার
ঝাড়খণ্ডের ধনবাদ এবং পার্শবর্তী এলাকায় মোট ১২ জায়গায়ও অভিযান শুরু করেছে ইডি। এর মধ্যে সকাল ৬টা থেকে বিসিসিএল-এর ঠিকাদার ও বড় কয়লা ব্যবসায়ী এলবি সিংয়ের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলিও রয়েছে। জানা গিয়েছে, ইডির এই অভিযান বিসিসিএলর বিভিন্ন টেন্ডারে অনিয়ম ও দুর্নীতির মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত। এছাড়াও, ইডি-র কলকাতা টিম পশ্চিমবঙ্গেও কয়লা ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ঠিকাদার, পরিবহনকারী এবং ইসিএল-এর আধিকারিকদের ঝাড়খণ্ডের আস্তানাগুলিতে সমান্তরালভাবে তল্লাশি চালাচ্ছে।
উল্লেখ্য, ঠিকাদার এলবি সিংয়ের সংস্থায় এর আগে আয়কর বিভাগ অভিযান চালিয়েছিল। সেই সময় ১০০ কোটি টাকা নগদ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। অতীতে সিবিআই অভিযানে বিসিসিএল-র কয়লা কারবারি এলবি সিং-কে টেন্ডার দুর্নীতিতে অভিযুক্ত করা হয়েছিল। সেই মামলার ECIR হিসাবে নথিভুক্ত করার পরেই ইডি এই মামলার তদন্ত শুরু করেছে।









