Friday, 10 April, 2026
10 April
HomeকলকাতাSomnath Chatterjee: 'এ হৃদয় দপ্তর বদলায় না'! 'প্রতীক' উরের 'প্রতীক' বদলালেও স্বচ্ছ...

Somnath Chatterjee: ‘এ হৃদয় দপ্তর বদলায় না’! ‘প্রতীক’ উরের ‘প্রতীক’ বদলালেও স্বচ্ছ ভাবমূর্তি, অসামান্য ব্যক্তিত্ব ধ্রুবতারা সোমনাথের রাজনৈতিক হৃদয় দপ্তর বদলাইনি

বর্ণময় রাজনৈতিক জীবনে সোমনাথবাবুর শেষ দিকটা শুধুমাত্র বিতর্কিত নয় অনেক অশ্রুসজল।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

সংসদের মধ্যে যারা অসাধারণ বলতেন তাদের মধ্যে সবচেয়ে উজ্জ্বল কয়েকটা নামের একজন সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়। সিপিএম তাঁকে বহিষ্কার করলেও তিনি কখনও অন্য রাজনৈতিক দলে যোগদান করেন নি। এখানেও তিনি প্রমাণ করে গিয়েছেন যে রাজনৈতিক দর্শনের প্রতি তাঁর আস্থা ছিল,সেই বিশ্বাস জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত ছিল। দল তাঁকে বহিস্কার করলেও তিনি আছেন , ছিলেন, থাকবেন সাধারণ মানুষের হৃদমাঝারে।

আরও পড়ুনঃ বাংলার বামেদের ‘কালবেলা’; ‘তৎক্ষনাৎ’ ‘বহিস্কার’ প্রতীক-উর ইস্যুতে গতকাল সন্ধ্যায় ‘তৎক্ষণাৎ’ সেলিমের ক্লাস নিলেন ‘বহিষ্কৃত’ ঋতব্রত

একজন সর্বজন শ্রদ্ধেয় মানুষ। আজও বোধহয়  তাঁর জন্য চোখের জল ফেলেন অনেক বাম সমর্থক,কর্মী! সর্বোপরি সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক দর্শনের বিরোধীদের মধ্যেও তাঁর জনপ্রিয়তা নেহাত কম ছিল না।

২০০৯ সালে স্পিকার পদে সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের মেয়াদ শেষ হলে তিনি আর সক্রিয় রাজনীতিতে ফেরেননি । যেমন ছিল সাংসদীয় রীতি-নীতি, দেশের প্রশাসনিক কাঠামো এবং সংবিধান সম্পর্কে অগাধ পাণ্ডিত্য  ঠিক ততটাই স্বচ্ছ ভাবমূর্তি , অসামান্য ব্যক্তিত্ব। বর্ণময় রাজনৈতিক জীবনে সোমনাথবাবুর শেষ দিকটা শুধুমাত্র বিতর্কিত নয় অনেক অশ্রুসজল।

আরও পড়ুনঃ দরজায় কড়া নাড়ছে বিধানসভা নির্বাচন; ভোট ঘোষণার আগেই বঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে দিচ্ছে শাহের মন্ত্রক

আজ প্রতীক উর রহমান তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেছেন। শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে তিনি লাগাতার কামান দেগেছেন। দল তাঁর সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করে শেষ পর্যন্ত বহিস্কার করেছে। সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের মত মানুষ সিপিএম থেকে বহিস্কৃত হয়েছিলেন । দুজনের মধ্যে তুলনামূলক আলোচনার ধৃষ্টতা দেখানো উচিৎ নয়। কারণ প্রতীক উর রহমান বয়সে তরুণ তিনি বিখ্যাত হয়েছেন ডায়মন্ড হারবারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সিপিএমের প্রার্থী ছিলেন। রাজ্য সিপিএমের সম্ভাবনাময় যেসব জনপ্রিয় তরুণ মুখ ছিলেন তাদের মধ্যে অবশ্যই একজন প্রতীক উর রহমান। সেখানে সোমনাথ চট্টোপাধ্যায় একজন সর্বভারতীয় ব্যক্তিত্ব।

গোটা ভারতবর্ষের মানুষ তাঁকে একডাকে চেনেন, দীর্ঘদিন সংসদীয় রাজনীতিতে অভিজ্ঞ। পার্থক্য এখানেই সোমনাথ চট্টোপাধ্যায় দল থেকে বহিস্কৃত হলেও তিনি দলত্যাগ করেন নি। রোগশয্যায় নৃপেন চক্রবর্তীকে সদস্যপদ ফিরিয়ে দেয় সিপিএম ,কিন্তু দলের সঙ্গে আদর্শগত বিরোধে সৈফুদ্দিন চৌধুরীরও মেম্বারশিপ রিনিউ হয়নি, সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়কে আর দলে ফিরিয়ে নেওয়া হয়নি। এই সিদ্ধান্তে সিপিএমের কি উপকার হয়েছে দলের সেদিনের নেতৃত্ব বলতে পারবেন। কিন্তু সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের বোধহয় কোনও ক্ষতি হয়নি। তিনি আছেন সবার হৃদমাঝারে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন