লালকেল্লার বিস্ফোরণের পর ভারত খুব ঠাণ্ডা মাথায় পরিস্থিতি সামলাচ্ছে। কোনো তাড়াহুড়া করে “সন্ত্রাসী হামলা” বলে ঘোষণা না করে তদন্তকে সময় দেওয়া হচ্ছে। এতে আতঙ্ক কম থাকে এবং গোয়েন্দা সংস্থা ও নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারে।
আরও পড়ুনঃ ‘অসম্মানজনক, দায়িত্বজ্ঞানহীন, ক্ষমার অযোগ্য!’ ধর্মেন্দ্রর ‘মৃত্যু’র খবর ছড়াতেই বিরক্ত হেমা
এদিকে কিছু অপ্রমাণিত রিপোর্টে বিস্ফোরণের সূত্র পাওয়া যাচ্ছে সম্প্রতি ফারিদাবাদে ধরা পড়া বিশাল বিস্ফোরক চক্র থেকে — যেখানে প্রায় ২,৯০০ কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছিল। যদি এই দুটি ঘটনা যুক্ত থাকে, তাহলে এটি একেবারে গভীর নেটওয়ার্কের ইঙ্গিত।
মনোযোগ এখন কেবল পশ্চিম সীমান্তে নয়।
পূর্ব সীমান্ত — বিশেষ করে বাংলাদেশ সীমান্ত — ভারতের অন্ধ এলাকা (Blindspot)।
আরও পড়ুনঃ স্পষ্ট চালকের মুখ; বিস্ফোরণের আগের মুহূর্তের সিসিটিভি ফুটেজ দিল্লি পুলিশের হাতে
৪,০৯৬ কিমি এই সীমান্ত দীর্ঘদিন ধরেই অস্ত্র, মাদক ও বিস্ফোরক পাচারের রুট হিসেবে পরিচিত। ২০২৪ সাল থেকে এসব কার্যক্রম হঠাৎ বেড়ে গেছে। সম্প্রতি BSF ত্রিপুরা সীমান্তে একাধিক চেষ্টাকে ব্যর্থ করেছে।
বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতাকে কাজে লাগিয়ে লজিস্টিক নেটওয়ার্ক তৈরি করার চেষ্টা চলছে — এবং এই অংশই সবচেয়ে বিপজ্জনক।
ভারতের জন্য বার্তাটি পরিষ্কার:
সন্ত্রাস শুধু পশ্চিমে নয়, এখন পূর্বদিকেও নজর দিতে হবে।
নজরদারি, গোয়েন্দা তথ্য ভাগাভাগি এবং কঠোর সীমান্ত নিয়ন্ত্রণই এখন অগ্রাধিকার।
দেশ নিরাপদ থাকে কৌশল আর প্রস্তুতিতে।









