ভোপালে এমবিএ পড়ুয়াদের সরকারি স্কলারশিপ টাকা আত্মসাতের একটি জালিয়াতি চক্র সিবিআইয়ের তদন্তে ধরা পড়েছে। অভিযোগ, পড়ুয়াদের অজান্তে তাঁদের নামে ভুয়ো ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলে প্রায় ৯৯.৪৮ লক্ষ টাকা তছরুপ করা হয়েছে। ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের অক্টোবরের মধ্যে এই কেলেঙ্কারি ঘটেছে।
আরও পড়ুনঃ কেঁপে উঠছে টেকটোনিক প্লেট; বড় ভূমিকম্পের আশঙ্কায় কাঁপছে ভারতীয় উপমহাদেশ
এই ঘটনায় ভোপালের ‘অ্যাকাডেমি অফ ম্যানেজমেন্ট’ কলেজের পাঁচ আধিকারিক ও ইউকো ব্যাঙ্কের হাবিবগঞ্জ শাখার তৎকালীন সিনিয়র ম্যানেজারের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে।
জালিয়াতির মূল কৌশল ছিল, ভুয়ো নথি ও জাল শিক্ষাগত শংসাপত্র দিয়ে ব্যাংকের KYC প্রক্রিয়া ঠকানো, মোবাইল নম্বর পরিবর্তন করে নিজেরা নিয়ন্ত্রণ রাখা, এবং পড়ুয়াদের অনুমতি ছাড়া ডেবিট কার্ড সংগ্রহ ও টাকা তাত্ক্ষণিক উত্তোলন।
আরও পড়ুনঃ কলকাতার মাথার উপর দিয়ে বিস্তৃত নিম্নচাপ অক্ষরেখা! পশ্চিমবঙ্গে বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি
সিবিআইয়ের অভিযোগে অভিযুক্ত ছয়জনের মধ্যে রয়েছেন ব্যাংক ম্যানেজার প্রেমা বর্মা, কলেজের পরিচালক বিনয় মালহোত্রা, অধ্যাপক আদিত্য মালহোত্রা, সহকারী অধ্যাপক মনোজ জৈন, ভিনেশ মেশরাম ও কর্মী রাম সিং বর্মা।
তদন্ত এখনো চলছে, এবং অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
মূল তথ্যসমূহ:
- সরকারি এমবিএ স্কলারশিপের প্রায় ৯৯.৪৮ লক্ষ টাকা তছরুপ।
- ঘটনা সংঘটিত: ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের অক্টোবর।
- সংশ্লিষ্ট: ভোপালের ‘অ্যাকাডেমি অফ ম্যানেজমেন্ট’ কলেজের ৫ কর্মকর্তা ও ইউকো ব্যাঙ্কের ১ সিনিয়র ম্যানেজার।
- কৌশল:
- ভুয়ো ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলে টাকার অবৈধ উত্তোলন
- জাল নথি ও শিক্ষাগত শংসাপত্র দিয়ে KYC প্রক্রিয়া ফাঁকি দেয়া
- মোবাইল নম্বর পরিবর্তন করে নিয়ন্ত্রণ রাখা
- অনুমতি ছাড়াই ডেবিট কার্ড সংগ্রহ ও টাকা তৎক্ষণাৎ উত্তোলন
- মামলা দায়ের: ভারতীয় দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় প্রতারণা, জালিয়াতি ও দুর্নীতি মামলায়।
- তদন্তকারীরা আরও কারা জড়িত তা যাচাই করছেন।
এখনো তদন্ত চলছে, এবং বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে অনুসন্ধানাধীন।


