spot_img
Wednesday, 25 February, 2026
25 February
spot_img
Homeদক্ষিণবঙ্গFuneral Procession: "I Am A Disco Dancer"; দাদুর মরদেহ শ্মশানঘাটে নিয়ে যাওয়ার...

Funeral Procession: “I Am A Disco Dancer”; দাদুর মরদেহ শ্মশানঘাটে নিয়ে যাওয়ার সময় উদ্দাম নৃত্যে সামিল নাতি-নাতনিরা

দাদুর সেই শেষ ইচ্ছাকে মান্যতা দিতেই কোমর বেঁধে নামেন পরিবারের ৩৫ জন নাতি-নাতনি।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

কাঁধে মৃতদেহ নিয়ে শ্মশানের দিকে চলেছেন কয়েকজন। পিছনে বাজনার তালে নাচতে নাচতে আসছেন অনেকে। ব্যাঞ্জো ও তাসা বাজিয়ে উদ্দাম নৃত্যে সামিল হলেন মৃতের নাতি-নাতনিরা। শেষযাত্রায় প্রায় আড়াইশো জন শ্মশানঘাটে গেলেন নাচতে নাচতে। বাজনা বাজিয়ে শেষযাত্রায় যাওয়ার কারণও জানালেন মৃতের নাতি-নাতনিরা। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার শান্তিপুরে।

আরও পড়ুনঃ প্রার্থী হতে ভিড় তৃণমূলে প্রথম দফাতেই ড্রপবক্সে ১৬০০ আবেদন

শান্তিপুরের বাগআঁচড়া ছোট কুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা ১০৬ বছরের নিমাই পণ্ডিত দুর্লভ। মঙ্গলবার তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুর পর মৃতদেহ নিয়ে শেষযাত্রায় আনন্দ উৎসবে মেতে উঠলেন পরিবারের সদস্যরা। ১০৬ বছর বয়সে বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যু হয়েছে ওই বৃদ্ধের। কিন্তু তাঁর বিদায়বেলায় কোনও বিষণ্ণতা নয়, বরং হয়ে উঠল এক বর্ণাঢ্য উৎসব। ৩৫ জন নাতি-নাতনি এবং প্রায় ২০০ জন গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে নেচে-গেয়ে, ঢাক-ঢোল বাজিয়ে দাদুকে ‘স্বর্গলোকে’ যাওয়ার ব্যবস্থা করলেন আত্মীয় পরিজনেরা।

পরিবার সূত্রে খবর, ওই বৃদ্ধ নিজেই জীবদ্দশায় ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন যেন তাঁর শেষযাত্রা কোনওভাবেই শোকার্ত না হয়। তিনি চেয়েছিলেন, দীর্ঘ এক শতাব্দীর তাঁর এই পথচলা যেন শেষ হয় আনন্দের মধ্য দিয়ে।

আরও পড়ুনঃ উত্তরে ফিকে হচ্ছে গেরুয়া! শিলিগুড়ি কেন্দ্রিক আলাদা ইস্তেহারে জোর বিজেপির

দাদুর সেই শেষ ইচ্ছাকে মান্যতা দিতেই কোমর বেঁধে নামেন পরিবারের ৩৫ জন নাতি-নাতনি। ফুলের সাজে সজ্জিত খাটিয়ায় খোল-করতালের ধ্বনিতে মৃতদেহ নিয়ে যাওয়া হল গঙ্গার ঘাটে। মানুষের মৃত্যুর পর বিদায় জানাতে শ্মশান যাত্রীদের চোখে জল ছিল ঠিকই, কিন্তু মুখে ছিল দাদুর দীর্ঘ জীবনের লড়াইয়ের জয় গান।

মৃতের নাতি শুভাশিস দুর্লভ বলেন, “দাদু মৃত্যুর আগে বলেছিলেন, মারা গেলে বাজনা বাজিয়ে যেন শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হয়। ঠাকুমার শেষকৃত্য এখানে হয়েছিল। এই শ্মশানেই যেন তাঁর শেষকৃত্য হয়, সেকথাও জানিয়েছিলেন। তাই বাজনা বাজিয়ে ২৫০-৩০০ জন আমরা এসেছি।”

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন