Tuesday, 24 March, 2026
24 March
HomeদেশZubeen Garg: প্রতিবাদের মুখ; সিএএ-র ঘোর বিরোধী ছিলেন জুবিন

Zubeen Garg: প্রতিবাদের মুখ; সিএএ-র ঘোর বিরোধী ছিলেন জুবিন

চরম প্রতিবাদের আওয়াজ তুলেছিলেন সঙ্গীতশিল্পী।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

সাধারণত কোনও সেলেব্রিটি যেমনটা হন না, জুবিন গর্গ ছিলেন একদম উল্টো। তিনি কেন্দ্র হোক রাজ্য সরকার, কোনও সিদ্ধান্ত ভুল মনে হলে তার বিরোধিতা করতেন। ঠিক যেমন সিএএ নিয়ে চরম প্রতিবাদের আওয়াজ তুলেছিলেন সঙ্গীতশিল্পী। নিজ রাজ্যে আন্দোলনের মুখ হয়ে উঠেছিলেন জুবিন।

মরে যাব, কিন্তু কোনওদিন সিএএ করতে দেব না – স্পষ্টত এমনটাই বলেছিলেন গায়ক। সময়টা ২০১৯ সাল। সিএএ আন্দোলন কার্যত দেশজুড়ে আগুন ছড়িয়ে দিয়েছে। দিকে দিকে প্রতিবাদ হচ্ছে, মানুষ পথে নেমেছে। অসমও ব্যতিক্রম ছিল না। সেখানেও মানুষ প্ল্যাকার্ড-পোস্টার নিয়ে রাস্তায় নেমেছিল। আর সেই আন্দোলনের অন্যতম কাণ্ডারি হয়ে উঠেছিলেন জুবিন গর্গ।

আরও পড়ুনঃ সিঙ্গাপুরে ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা; প্রয়াত গায়ক জ়ুবিন গর্গ

বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে চরম ক্ষোভ উগরে দিয়ে গায়কের বক্তব্য ছিল, কেন্দ্র এবং অসম সরকারের উচিত মানুষের কষ্ট বোঝা। জুবিনের সেই সময় অভিযোগ ছিল, সরকার অসমের মানুষের কষ্ট না বুঝে তাদের মারতে চাইছে। যতদিন তিনি বেঁচে থাকবেন ততদিন এর বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবেন। শুধু তাই নয়, সিএএ-র বিরোধিতায় সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছিলেন তিনি।

বিশাল বিরোধ সত্ত্বেও লাভ পাননি সিএএ প্রতিবাদীরা। বিল পাশের ৪ বছর পর অর্থাৎ ২০২৪ সালেই দেশজুড়ে কার্যকর হয়ে যায় সিএএ। যদিও জুবিন তাঁর অবস্থানে অনড় থেকে গেছেন জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত। গত বছর এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন, নিজের মতো করে সিএএ-র প্রতিবাদ করে যাবেন। যাই হয়ে যাক, এই আইন তিনি মানবেন না। পাশাপাশি প্রতিবাদীদেরও তিনি আর্জি জানিয়েছিলেন, নিজেদের মতো করে আন্দোলন জারি রাখতে।

আরও পড়ুনঃ ২২ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হচ্ছে নতুন জিএসটি দাম কী ভাবে জানা যাবে, জানিয়ে দিল কেন্দ্র

সিএএ আন্দোলনে তাঁর যোগদানের জন্য তৈরি হওয়া বিতর্ক ছাড়াও আরও নানা ইস্যুতে সংবাদ শিরোনামে এসেছিলেন জুবিন। কখনও জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগ, কখনও গান গাওয়ার সময় বন্দুক হাতে দর্শককে ভয় দেখানো, কখনও বা প্রকাশ্যে মন্তব্য নিয়ে সমালোচিত হয়েছেন।

তবে জুবিন একজন মানবতাপ্রেমী মুখ বলেও পরিচিত ছিলেন। তিনি কলাগুরু আর্টিস্ট ফাউন্ডেশন চালাতেন, যা বন্যাদুর্গতদের সহায়তা করে। অনাথ শিশুদের দায়িত্বও নিয়েছেন তিনি, আবার অসুস্থ পশু-পাখিকে আশ্রয় দিয়ে চিকিৎসাও করিয়েছেন। কামাক্ষ্যা মন্দিরে পশু বলি বন্ধ করা নিয়ে জুবিন গর্গের লড়াই দেখে ‘হিরো’ তকমা দিয়েছিল PETA।

বহু রঙে রঙিন হওয়া উত্তর-পূর্বের সুরসম্রাট চলে গেলেন অকালেই।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন