spot_img
Monday, 2 March, 2026
2 March
spot_img
HomeকলকাতাTMC: ছাব্বিশে তৃণমূল ভরাডুবির ইঙ্গিত! ইডি বিরোধিতায় মমতার অবস্থান

TMC: ছাব্বিশে তৃণমূল ভরাডুবির ইঙ্গিত! ইডি বিরোধিতায় মমতার অবস্থান

নেতার থেকে পুলিশের গুরুত্ব বেশি। কর্মীদের চেয়েও আপন এজেন্সি। প্রমাণ করলেন মমতা ব্যানার্জি।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

ফের কেন্দ্রীয় এজেন্সি ঠেকাতে ময়দানে মমতা। এবার ঢাল হলেন আইপ্যাক কর্তার। এর আগে নগরপাল রাজীব কুমারকে বাঁচাতে সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে ধরনায় বসেন মুখ্যমন্ত্রী। সেটা ২০১৯ সালের শুরু। সে বছর লোকসভা বিরাট ধাক্কা খায় তৃণমূল। ছাব্বিশের ভোটের আগে ইডির অভিযানে মমতার বাধা কি তেমনই ইঙ্গিত দিচ্ছে? সামনের নির্বাচনেই তৃণমূলের বিসর্জন?

আরও পড়ুনঃ সাংবিধানিক পদের অপব্যবহার করে নথি ছিনতাই! মমতার Ipac অভিযান নিয়ে হাই কোর্টে মামলা করল ইডি

কয়লা পাচারের তদন্তে আইপ্যাক অফিসে ইডির অভিযান। তৃণমূলের টিউশন এজেন্সির কর্তার বাড়িতেও যান কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। এতেই চটে লাল মমতা। কেন্দ্রীয় এজেন্সির বিরুদ্ধে ময়দানে খোদ মুখ্যমন্ত্রী। প্রথমে লাউডন স্ট্রিটে প্রতীক জৈনের বাড়ি থেকে নথি লুঠ। তারপর সল্টলেকে আইপ্যাক অফিসের সামনে অবস্থান।

তৃণমূলনেত্রীর এমন কীর্তি নতুন নয়। ২০১৯ সালে এভাবেই সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে ধরনায় বসেন মমতা। তখন ঢাল হয়েছিলেন কলকাতার তৎকালীন নগরপাল রাজীব কুমারের। চিটফান্ড মামলার তদন্তে তাঁর বাংলোয় গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। তাঁদের বিরুদ্ধে ধর্মতলায় ধরনামঞ্চে বসেন মুখ্যমন্ত্রী।

আরও পড়ুনঃ রহস্যময় গাড়ি, ফস্কে পড়ে একটা কাগজ! উন্মোচন ফাইল রহস্য

২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে মমতার ধরনা। কয়েক মাস পর লোকসভা ভোটে ঘাসফুলের ভরাডুবি। রাজ্যের ক্ষমতা দখলের পর এখনও পর্যন্ত উনিশের ভোটেই সবচেয়ে বড় ধাক্কা খায় তৃণমূল। এবার সামনে ছাব্বিশের ভোট। তার আগে ফের কেন্দ্রীয় এজেন্সির বিরুদ্ধে ময়দানে মমতা। ফের কি উনিশের লোকসভা ভোটের মতো পরিস্থিতি দেখবে বাংলা?

রাজীব কুমার থেকে প্রতীক জৈন- কেউই তৃণমূলের সৈনিক নন। তারপরেও তাঁদের পাশে দাঁড়ান মমতা। কিন্তু দলের দুর্দিনের সৈনিকদের জন্য এত তৎপরতা দেখাননি দলনেত্রী। মদন মিত্র থেকে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক কিংবা পার্থ চট্টোপাধ্যায়। কারও হয়েই এমন আক্রমনাত্মক ছিলেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ বিষেয়ে প্রশ্ন শুনেও মেজাজ হারান মমতা। বলেন, ‘‘প্লিজ, আমাকে এই ধরনের প্রশ্ন জিজ্ঞেস করবেন না। বিজেপিকে এই প্রশ্ন জিজ্ঞেস করুন’’

নেতার থেকে পুলিশের গুরুত্ব বেশি। কর্মীদের চেয়েও আপন এজেন্সি। প্রমাণ করলেন মমতা ব্যানার্জি। কিন্তু কেন্দ্রীয় এজেন্সির বিরোধিতায় ২০১৯ সালের কী হয়েছিল সেটা কি ভুলে গিয়েছেন মাননীয়া?

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন