ইরান তাদের ব্যালিস্টিক মিসাইলে নিষিদ্ধ ক্লাস্টার মিউনিশন ব্যবহার করছে।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধে ইরান তাদের ব্যালিস্টিক মিসাইল (যেমন Fateh-110, Zolfaghar, Qiam-1 ইত্যাদি) এর ওয়ারহেডে ক্লাস্টার মিউনিশন (cluster munition) ব্যবহার করছে বলে নিশ্চিত খবর পাওয়া গেছে। এই অস্ত্র আন্তর্জাতিকভাবে নিষিদ্ধ (Cluster Munitions Convention 2008-এর অধীনে), কিন্তু ইরান এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি।
আরও পড়ুনঃ ‘বড় আঘাত’! ব্রিটিশ ঘাঁটিতে মার্কিন B-2 স্টিলথ বোমারু মোতায়েন
ক্লাস্টার মিউনিশন কী?
একটি বড় মিসাইল বা বোমা আকাশে নির্দিষ্ট উচ্চতায় গিয়ে খুলে যায়। ভিতর থেকে ৫০–৬০০+ ছোট ছোট সাবমিউনিশন (bomblets) ছড়িয়ে পড়ে। প্রত্যেকটি bomblet আলাদাভাবে বিস্ফোরিত হয়ে বিস্তীর্ণ এলাকা (১–২ বর্গকিলোমিটার) ধ্বংস করে।
এর কাজ:
– সৈন্যদের বড় সমাবেশ (troop concentration)
– এয়ারবেস, রানওয়ে, বিমান
– ট্যাঙ্ক/যানবাহনের কনভয়
– লজিস্টিক হাব, রাডার, সামরিক স্থাপনা
আরও পড়ুনঃ যৌন হেনস্থায় অভিযুক্ত ট্রাম্প! বিস্ফোরক নথি প্রকাশ্যে
কেন নিষিদ্ধ?
– অনেক সাবমিউনিশন বিস্ফোরিত হয় না (dud rate ৫–৩০%) এবং মাটিতে পড়ে থাকে।
– এগুলো পরে অবিস্ফোরিত বোমা বা মাইনের মতো কাজ করে।
– যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরও বছরের পর বছর সাধারণ মানুষ, শিশু, কৃষকদের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি।
– Cluster Munitions Convention-এ ১১০+ দেশ স্বাক্ষর করেছে এবং এই অস্ত্র নিষিদ্ধ করেছে।
ইরান এই চুক্তিতে নেই, তাই তারা ব্যবহার করতে পারে। যুদ্ধে এই অস্ত্র ব্যবহার করে ইরান আমেরিকান/ইজরায়েলি সামরিক ঘাঁটি, রানওয়ে ও ট্রুপ কনসেনট্রেশন লক্ষ্য করছে।
ভারতের জন্য কী অর্থ?
– ভারতও Cluster Munitions Convention-এ স্বাক্ষর করেনি, কিন্তু এই অস্ত্র ব্যবহার করে না (নৈতিক ও মানবিক কারণে)।
– এই খবর দেখাচ্ছে যে যুদ্ধ আরও নির্মম হচ্ছে—ক্লাস্টার মিউনিশনের মতো অস্ত্র ব্যবহারে সিভিলিয়ান ক্ষয়ক্ষতি বাড়বে।
– ভারত নিরপেক্ষতা বজায় রেখে সব পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে, কিন্তু এই ধরনের অস্ত্রের ব্যবহার গ্লোবাল নিরাপত্তা ও মানবাধিকারের জন্য বড় হুমকি।
পরিস্থিতি অস্থির









