২২ জানুয়ারি, ২০২৬, কলকাতা বইমেলা, যে মেলা প্রতিবার সাহিত্যপ্রেমীদের এক নতুন পৃথিবী উপহার দেয়, এবারের আয়োজন হতে চলেছে আরও বৃহত্তর ও আকর্ষণীয়। প্রতি বছরের মতো, এবারও কলকাতা শহর বইপ্রেমী মানুষদের এক জায়গায় এনে বিশ্ব সাহিত্যের এক বিশাল ভান্ডার উপস্থাপন করতে চলেছে। কলকাতার করুণাময়ী ময়দানে বইমেলার উদ্বোধন করবেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ।
আরও পড়ুনঃ শীতের কামড় আরও তীব্র হয়ে উঠেছে পশ্চিমবঙ্গে, মকর সংক্রান্তির আগে কেমন থাকবে বাংলার আবহাওয়া
এ বছর বইমেলার থিম কান্ট্রি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে আর্জেন্টিনা। দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটি তার সাহিত্য, সংস্কৃতি, এবং ইতিহাসের জন্য বিশ্ববিখ্যাত। আর্জেন্টিনার খ্যাতনামা সাহিত্যিকদের কাজ ও তাদের কাব্যিক শক্তি মেলায় বিশেষ গুরুত্ব পাবে। বইমেলার মধ্যে আর্জেন্টিনার সাহিত্য ও সংস্কৃতির ওপর বিশেষ প্রদর্শনী থাকবে, যেখানে দর্শকরা আর্জেন্টিনার বিখ্যাত লেখকদের সম্পর্কে জানতে পারবেন। প্রতিবছরের মতো এবারও বইমেলা বিশ্বের নানা দেশের বই, সাহিত্য, ও সংস্কৃতিকে একসাথে সম্মিলিত করবে।
বিভিন্ন ধরনের স্টলে স্থান পাবে ছোট-বড় প্রকাশনা সংস্থাগুলি, যেখানে থাকবে বাংলাসহ বিভিন্ন ভাষার বই। নতুন বইয়ের পাশাপাশি, বিশেষ করে বাংলা সাহিত্যের সমৃদ্ধ ইতিহাস এবং আধুনিক সাহিত্য সম্পর্কিত বইয়েরও বিশাল সম্ভার থাকবে। সেমিনার, আলোচনা, সাহিত্য অনুষ্ঠান, এবং লেখক-লেখিকার সাথে আড্ডা, সব মিলিয়ে এক জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশ বইপ্রেমীদের জন্য অপেক্ষা করছে।
আরও পড়ুনঃ “বিকশিত হচ্ছে সংঘ, নতুন রূপে নিজেকে প্রকাশ করছে”; বললেন ভাগবত
জানা গিয়েছে, এবছর ছোট বড় মিলিয়ে ১০০০টি প্রকাশনী থাকবে বইমেলায়। থিম দেশ হতে চলেছে আর্জেন্টিনা৷ বইমেলায় মোট ৯ টি তোরণ তৈরি হবে৷ যার মধ্যে দু’টি হবে আর্জেন্টিনার স্থাপত্যের আদলে তৈরি। হাওড়া থেকে মেট্রোর ব্যবস্থা সল্টলেক পর্যন্ত শুরু হওয়ার কারণে এবছর আরও মানুষ আসবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
বইমেলার কারণে বাড়তি মেট্রো চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ৷ বইমেলার ভিড় সামলাতে এমনিতেই ওই রুটে অতিরিক্ত বাস পরিষেবা চালানো হয়ে থাকে৷ এবছর হাওড়া ময়দান- সল্টলেক সেক্টর ফাইভ রুটে মেট্রো পরিষেবা চালু হয়ে যাওয়ায় বইপ্রেমী মানুষদের বাড়তি সুবিধা হবে বলে মনে করা হচ্ছে৷ বইমেলা চলাকালীন ছুটির দিনেও বাড়তি মেট্রো চলবে৷ বইমেলা প্রাঙ্গণে মেট্রোর একটি বুথ থাকবে যা দিয়ে ইউপিআই করে মেট্রো টিকিট কাটতে পারবেন সাধারণ মানুষ৷ হাওড়া, শিয়ালদহ থেকে সরাসরি মেট্রো করে করুণাময়ীর মেলা প্রাঙ্গণে চলে আসতে পারবেন মানুষ৷ বইমেলার শেষ দিন হতে চলেছে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি।









