সামনেই নির্বাচন। তার আগেই বড় ধাক্কা সিপিএম-এ। দল ছাড়লেন প্রতীক-উর-রহমান।দলকে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন প্রাক্তন SFI-এর রাজ্য সভাপতি। কেন হঠাৎ প্রতীক-উরের এমন সিদ্ধান্ত সেই নিয়ে জল্পনার শেষ নেই। উঠছে নানাবিধ প্রশ্ন। এই আবহের মধ্যেই ফেসবুকে পোস্ট করলেন বাম মনস্ক পরিচালক সৌরভ পালধি। দলে প্রতীক-উরকে চাই বলেই সওয়াল করেছেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ আচমকা ইস্তফা প্রতীক উরের; সিপিআই(এম) নেতৃত্বে ভাঙনের ইঙ্গিত!
আগাগোড়াই কট্টর বামপন্থী মতাদর্শে বিশ্বাসী সৌরভ। তাঁর পরিচালনায় ‘অঙ্ক কী কঠিন’ সিনেমাটি সেরা ফিচার ফিল্মের পুরস্কার জিতেছে। তিনি মনে-প্রাণে বামপন্থী ভাবধারার অনুসারী। তাঁর একাধিক নাটকে সেই আদর্শ অনেক সময়ই ফুটে উঠেছে। এবার সেই সৌরভ লিখেছেন, “প্রতীক উর রহমান প্রয়োজনীয়। ব্যাস আর আপাতত কিছু লিখব না।”
প্রাথমিকভাবে দলের অন্দরে কানাঘুষো শোনা যাচ্ছিল, সিপিএম নেতা শতরূপ ঘোষের বক্তব্যের সঙ্গে তাঁর মতের অমিল হচ্ছিল। এমনকী দলের নীতি-আদর্শ নিয়েও মুখ খুলেছিলেন প্রতীক-উর। সেই কারণেই কি এমন পদক্ষেপ? যদিও, এই প্রাক্তন এই সিপিএম নেতা জানিয়ে দিয়েছেন, “ব্যক্তিগতভাবে আমার সঙ্গে কারও বিরোধ নেই।” কিন্তু তারপরও কেন এই পদক্ষেপ?
আরও পড়ুনঃ বঙ্গে রাম ছেড়ে কৃষ্ণ; ভোট বৈতরণী পেরতে ১৮ তারিখ দুপুর ২টোয় মায়াপুরে শাহ
আসলে, তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে জোটের জন্য বৈঠকে বসেছিলেন রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। সেই সময় বাম নেতাদের একাংশের অনেকেই তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন। তবে শতরূপ সেলিমের পাশে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, “সমস্ত নীতি নৈতিকতার ঠেকা কি আমরা একা নিয়ে বসে রয়েছি? বিজেপি তাকে প্রার্থী করলে দোষ নেই। তৃণমূল মন্ত্রী করলে দোষ নেই। সিপিএম তাঁর সঙ্গে কথা বললে অপরাধ হয়ে গেল।”
শতরূপের এই বক্তব্য মেনে নিতে পারেনি প্রতীক-উর। অন্তত তেমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের। যদিও প্রকাশ্যে তিনি মুখ খোলেননি।









