বহু ক্ষেত্রেই অভিযোগ উঠেছে বুথ লেভেল অফিসার বাড়িতে আসছেন না ইনিউমারেশন ফর্ম জমা নিতে। জমা নেওয়ার সময় স্ট্যাম্প দেওয়া তো দূর পাড়ার ক্যাম্পে গিয়ে জমা করে আসতে হচ্ছে পৃরণ করা ফর্ম। সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে, যে ফর্ম আপনি জমা করলেন সংশ্লিষ্ট বিএলও আপনার ফর্ম আপলোড করেছেন কি? এবার নিজেই সেই তথ্য যাচাই করতে পারবেন ভোটার।
আরও পড়ুনঃ সিইও অফিসের মেঝেতে বসে পড়লেন বিএলওরা! টেনে হিঁচড়ে বের করল পুলিশ
অর্থাৎ কোনও ভোটার নিজেই দেখে নিতে পারবেন, তাঁর জমা দেওয়া ফর্ম সঠিক মোবাইল নম্বরে (সংশ্লিষ্ট ভোটারের দেওয়া মোবাইল নম্বর অনুযায়ী) জমা পড়েছে কি না। পশ্চিমবঙ্গ সহ ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে এসআইআরের দ্বিতীয় পর্বে এমনই ব্যবস্থা করেছে কমিশন।
কীভাবে ফর্মের তথ্য যাচাই করতে পারবেন ভোটার? এজন্য প্রথমেই ভোটারকে মোবাইল বা ল্যাপটপ বা ডেস্কটপে ইন্টারনেট সংযোগ করতে হবে। এরপর ব্রাউজার খুলে তাতে voters.eci.gov.in এই ওয়েব অ্যাড্রেসটি টাইপ করতে হবে। তখন খুলে যাবে ভোটারস সার্ভিস পোর্টাল (voters service portal)। সেখানে একেবারে ডানদিকের কলামে ফিল ইনিউমারেশন ফর্ম লেখা (Fill Enumeration Form) সবুজ রংয়ের ট্যাব ক্লিক করলেই লগ ইনের জন্য মোবাইল নম্বর বা এপিক নম্বর লিখতে হবে। তবে এপিকের সঙ্গে যাঁদের মোবাইল সংযোগ নেই, তাঁদের প্রথমে সাইন ইন অর্থাৎ মোবাইল ও এপিক সংযোগ করাতে হবে।
আরও পড়ুনঃ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, বহিরাগ্রাম এলাকায় শোকের ছায়া; স্কুল থেকে ফেরার পথে পুকুরে উল্টে গেল পুলকার
তারপর মোবাইল নম্বর বা এপিক নম্বর লিখে লগ ইন করলেই সংশ্লিষ্ট মোবাইল নম্বরে একটি ওটিপি আসবে। সেই ওটিপি পূরণ করার পর আবার ডানদিকের কলামে ফিল ইনিউমারেশন ফর্ম লেখা (Fill Enumeration Form) সবুজ রংয়ের ট্যাবে ক্লিক করতে হবে। এবার সংশ্লিষ্ট ভোটারকে তার এপিক নম্বর লিখতে হবে। তারপর সার্চ বাটনে ক্লিক করলেই ভোটার নিজেই ফর্ম আপলোড হয়েছে কি না, তা যাচাই করতে পারবেন। মিলিয়ে নিতে পারবেন মোবাইল নম্বরও।
অর্থাৎ যদি সঠিক মোবাইল নম্বরে ফর্ম জমা পড়ে থাকে, সেক্ষেত্রে লেখা ভেসে উঠবে, ‘Your form has already been submitted with mobile number XXX..’। অর্থাৎ সঠিক মোবাইল নম্বরে সংশ্লিষ্ট ভোটারের ফর্ম জমা পড়ে গিয়েছে। ফর্ম জমা না পড়লে এমন কোনও তথ্য পাওয়া যাবে না। উল্লেখ্য, যদি দেখা যায় ভুল মোবাইল নম্বরে ফর্ম জমা পড়েছে, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ভোটারকে অবিলম্বে বিএলওর সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। না হলে পরবর্তীতে সমস্যায় পড়তে পারেন ভোটার।









