Thursday, 22 October, 2026
22 October
Homeআন্তর্জাতিক নিউজDonald Trump: জনপ্রিয়তায় ধাক্কা, মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির হারের ইঙ্গিত জনমত...

Donald Trump: জনপ্রিয়তায় ধাক্কা, মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির হারের ইঙ্গিত জনমত সমীক্ষায়

সমীক্ষার রিপোর্ট বলছে বাস্তব চিত্র তার সম্পূর্ণ উল্টো।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বিশেষ প্রতিবেদন:

আমেরিকায় আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের (Midterm Elections) আগে শাসকদল রিপাবলিকান পার্টির বড় ধরনের বিপর্যয়ের স্পষ্ট পূর্বাভাস দিল একাধিক মার্কিন জনমত সমীক্ষা। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন (CNN) এবং প্রথম সারির সমীক্ষক সংস্থা এসএসআরএস (SSRS)-এর সাম্প্রতিক যৌথ জনমত সমীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী, মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দলের চেয়ে অন্তত ১০ শতাংশ বেশি ভোট ও জনসমর্থন নিয়ে এগিয়ে রয়েছে বিরোধী ডেমোক্র্যাটিক পার্টি।

আরও পড়ুনঃ সৌদির বিমানবন্দরে আছড়ে পড়ল হাউথি ক্ষেপণাস্ত্র! মৃত্যু ভারতীয়-সহ ২ জনের

পতনের মুখে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা: সর্বকালের সর্বনিম্ন ‘অ্যাপ্রুভাল রেটিং’

ভারতের মতো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতেও বেশ কিছু ক্ষেত্রে জনমত সমীক্ষার পূর্বাভাস মেলেনি, আবার অনেক সময় হুবহু মিলে যাওয়ার ইতিহাসও রয়েছে। তবে সিএনএন-এসএসআরএস-এর এই নতুন সমীক্ষা জানাচ্ছে, সাধারণ মার্কিন ভোটদাতাদের কাছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা অত্যন্ত দ্রুত গতিতে নিচের দিকে নামছে। মূলত অনিয়ন্ত্রিত মূল্যবৃদ্ধি ও মুদ্রাস্ফীতিই ট্রাম্প সরকারের প্রতি সাধারণ মানুষের এই অসন্তোষের প্রধান কারণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

চলতি সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের কাজের গ্রহণযোগ্যতা বা ‘অ্যাপ্রুভাল রেটিং’ মাত্র ৩২ শতাংশে এসে ঠেকেছে। হোয়াইট হাউসে থাকার মেয়াদকালে ট্রাম্পের জনসমর্থন এর আগে কখনও এত নিচে নামেনি। উল্লেখ্য, সম্প্রতি প্রকাশিত রয়টার্স-ইপসোস এবং ওয়াশিংটন পোস্ট-এবিসি নিউজের যৌথ সমীক্ষায় ট্রাম্পের অ্যাপ্রুভাল রেটিং ছিল যথাক্রমে ৩১ শতাংশ ও ৩৩ শতাংশ। এমনকি অনুরাগী বা ‘ট্রাম্প-ঘনিষ্ঠ’ হিসেবে পরিচিত ফক্স নিউজের সমীক্ষাতেও তা নেমে এসেছে মাত্র ৩৬ শতাংশে।

কী এই মধ্যবর্তী নির্বাচন?

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মতোই প্রতি চার বছর অন্তর আমেরিকায় মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। আগামী ৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই নির্বাচনে মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সেনেটের ১০০টি আসনের মধ্যে ৩৫টি এবং নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসের ৪৩৫টি সাধারণ আসনের সবকটিতেই ভোটগ্রহণ করা হবে।

এর পাশাপাশি হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসের ‘ভোটদানের ক্ষমতাহীন’ ৬টি আসনের মধ্যে ৫টি এবং ৩৬টি প্রদেশ (State) ও ৩টি টেরিটরির গভর্নর পদের জন্যও মার্কিন জনতা ভোট দেবেন।

ঐতিহাসিক নকশা ও ডেমোক্র্যাটদের প্রত্যাবর্তন

আমেরিকান রাজনীতির সাধারণ ঐতিহ্য ও ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, মধ্যবর্তী নির্বাচনে সাধারণত শাসকদলের কিছু আসন কমে যায় এবং বিরোধী পক্ষ লাভবান হয়। সেই হিসেবে এবারের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক পার্টি রাজনৈতিকভাবে বেশ সুবিধাজনক ও স্বস্তিদায়ক অবস্থানে রয়েছে। অবশ্য বিরল কিছু ক্ষেত্রে চেনা ছকের বাইরে গিয়ে শাসকদলই যদি মধ্যবর্তী নির্বাচনে বেশি আসন জেতে, তবে তা প্রেসিডেন্টের পলিসি ও শাসনের প্রতি জনগণের বিপুল সমর্থন বা গণভোট বলেই গণ্য হয়। পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে মার্কিন কংগ্রেসের অন্দরে যখন বিতর্ক তুঙ্গে, তখন এমন জয় ট্রাম্পকে আরও শক্তিশালী করত; কিন্তু সমীক্ষার রিপোর্ট বলছে বাস্তব চিত্র তার সম্পূর্ণ উল্টো।

আরও পড়ুনঃ  বিশ্বজুড়ে নজিরবিহীন সংকট! বিশ্বজুড়ে সাইবার হামলার আশঙ্কায় স্তব্ধ হাজার হাজার ওয়েবসাইট, ব্যাংকিং ও সংবাদ মাধ্যমে চরম বিপর্যয়

নেট সিলভারের পূর্বাভাস ও সম্ভাব্য আসন সংখ্যা

বিখ্যাত মার্কিন নির্বাচনী সমীক্ষা বিশেষজ্ঞ নেট সিলভারের সদ্য প্রকাশিত রাজনৈতিক মডেল জানাচ্ছে, এবার ডেমোক্র্যাটদের হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করার সম্ভাবনা রেকর্ড ৯৩.৬ শতাংশ এবং সেনেটে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৭৫ শতাংশ।

সিলভারের ওই মডেলের হিসাব অনুযায়ী, এবার নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রতিনিধিরা হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসে অতিরিক্ত ২৪টি আসন এবং সেনেটে নতুন ৫টি আসন ছিনিয়ে নিতে পারেন। সব মিলিয়ে, মধ্যবর্তী নির্বাচনের ঠিক মুখে ট্রাম্প প্রশাসন ও রিপাবলিকান পার্টির জন্য এই পূর্বাভাস চরম অস্বস্তি ও চাপের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন