বালোচিস্তানের বিদ্রোহী যোদ্ধাদের কাছে আমেরিকার অস্ত্র আছে। এমনই দাবি করলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খাজা আসিফ। পাকিস্তানের জাতীয় সংসদে ভাষণ দেওয়ার সময় খাজা দাবি করেন, ‘ওদের কাছে দু’মিলিয়নের রাইফেল আছে। আমাদের কাছে ওই রাইফেলও নেই। ওদের কাছে থার্মাল ওয়েপন সাইটও আছে। যেগুলির দাম ৪,০০০ ডলার থেকে ৫,০০০ ডলার।
ওদের কাছে যা যা সামরিক সামগ্রী আছে, তার মূল্য প্রায় ২০,০০০ ডলার। কোথা থেকে সেইসব অস্ত্র আসছে? কে সেটার টাকা দিচ্ছে? কেউ বলুন যে কে এটার টাকা দিচ্ছে? কে লগ্নি করছে?’ সেইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, বালোচিস্তানের বিদ্রোহী যোদ্ধাদের নেতারা আফগানিস্তানে আছেন।
আর তিনি সেই মন্তব্য করেছেন, যখন বালোচ বিদ্রোহী যোদ্ধাদের সামনে রীতিমতো বিপাকে পড়ে গিয়েছে পাকিস্তান। সংবাদসংস্থা এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এক নিরাপত্তা আধিকারিক জানিয়েছেন যে শনিবার থেকে বালোচিস্তান প্রদেশের একাধিক হামলায় ২৫০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আবার নাম গোপন রাখার শর্তে বুধবার এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন যে ১৯৭ জন যোদ্ধাকে মেরে ফেলেছে পাকিস্তান।
আরও পড়ুনঃ নয় আসনের বিমান! ফের চালু হচ্ছে কোচবিহার-কলকাতা বিমান পরিষেবা
যদিও বালোচ যোদ্ধা বিরোধী অভিযানে পাকিস্তান যে সাফল্যের দাবি করছে, তা খারিজ করে দিয়েছেন এক নেতা। হাকিম বলোচ বলেছেন, ‘বালোচিস্তানে যুদ্ধের তীব্রতা কমাতে পারেনি পাকিস্তান বা পাকিস্তানের হাতে কোনও ঠিকঠাক গোয়েন্দা তথ্যও নেই। বালোচ যোদ্ধারা ঘটনাস্থলে পৌঁছাচ্ছেন, হামলা চালাচ্ছেন, সাফল্যের সঙ্গে নিজের লক্ষ্যপূরণ করছেন, তারপর চলে যাচ্ছেন। আর সেইসব ঘটনার পরে পাকিস্তান রাষ্ট্র সাধারণ বালোচ মানুষ, নিরস্ত্র মানুষ, রাজনৈতিক কর্মী, মানবাধিকার কর্মী, বালোচ নেতা ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের অপহরণ করে নিচ্ছে।’
একইসুরে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন স্বাধীনতাপন্থী আরও এক বালোচ নেতা। তিনি দাবি করেছেন, বালোচদের স্বাধীনতার লড়াই থেকে নজর ঘুরিয়ে দিতে বিভিন্ন তত্ত্ব খাড়া করে থাকে পাকিস্তানি সেনা এবং ইসলামাবাদের রাজনৈতিক মহল।









