ফের পাকিস্তানের মুখ থেকে খসে পড়ল মিথ্যের মুখোশ। ইরান এবং আমেরিকার যুদ্ধবিরতি আলোচনা নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করে ফের একবার পাকিস্তানের স্বরূপ তুলে ধরল লস্কর জঙ্গি আবু মুসা। আবু মুসা আজ একটি ভিডিও বার্তায় জানিয়েছে যে ভারতে গত বছর ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক পহেলগাঁও হামলার পর থেকেই বিশ্বের দরবারে পাকিস্তান নতুন নেতা হিসেবে উঠে এসেছে। তাই আজ বিশ্বের অন্য কোথাও নয় এই পাকিস্তানের ইসলামাবাদেই শান্তি আলোচনার আসর বসেছে। অর্থাৎ আবু মুসা পরিষ্কার বলছে যে অন্য কোনও গুনে নয় শুধু সন্ত্রাসবাদ ছড়িয়েই বিশ্বের নেতা হওয়া যায়।
আরও পড়ুনঃ সিনেমাকেও হার মানায় এই প্ল্যান, মোদীকে খুনের ছক!
পহেলগাঁওয়ের বৈসরান উপত্যকায় ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল ঘটে যাওয়া হামলায় ২৬ জন নিরীহ পর্যটক নিহত হয়েছিলেন, যাদের মধ্যে অধিকাংশই হিন্দু। আহত হয়েছিলেন আরও ২০ জনের বেশি। লশকরের প্রক্সি গ্রুপ ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’ (TRF) প্রথমে হামলার দায় স্বীকার করলেও পরে তা অস্বীকার করে। কিন্তু ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো স্পষ্ট করে বলেছে, হামলার মাস্টারমাইন্ড ছিলেন পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে (PoK) অবস্থানরত LeT-এর শীর্ষ কমান্ডার সাইফুল্লাহ কাসুরি এবং তাঁর সহযোগীরা।
এখন জম্মু কাশ্মীর ইউনাইটেড মুভমেন্ট (JKUM)-এর নেতৃত্বে থাকা আবু মুসা খোলাখুলি বলছেন যে পহেলগাঁও হামলা পাকিস্তানের জন্য ‘সহায়ক’ ছিল। তিনি দাবি করেছেন, এই ধরনের ঘটনা আন্তর্জাতিক আলোচনায় পাকিস্তানের অবস্থানকে শক্তিশালী করেছে এবং কাশ্মীর ইস্যুকে আবার সামনে এনেছে। PoK-এর বিভিন্ন জনসভায় আবু মুসা বারবার ‘জিহাদ’ এবং ‘হিন্দুদের গলা কাটার’ মতো উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়ে এসেছেন। হামলার কয়েকদিন আগেও তিনি রাওয়ালকোটে এক সমাবেশে একই ধরনের হুমকি দিয়েছিলেন।
আরও পড়ুনঃ রাজ্য যেন কমিশনের নজরবন্দি ‘দুর্গে’ পরিণত; ১০০ শতাংশ বুথই স্পর্শকাতর
মুসার এই বক্তব্যের পরেই আলোচনার ঝড় উঠেছে কূটনৈতিক মহলে। বিশ্বের তাবড় কূটনীতিকরা বলেছেন পাকিস্তান যে মুখোশ পরা মিথ্যেবাদী তা আবারও প্রমান হয়ে গিয়েছে। পাকিস্তান সরকার নিজেই বলে তারা সন্ত্রাসকে আশ্রয় দেয় না কিন্তু দেশের ভিতরে বড় বড় জঙ্গি সংগঠনের মাথারা বসে আছে। আর ভারতের বিরুদ্ধে নাশকতার ষড়যন্ত্র করছে। ISI র মত সংগঠন যে পাকিস্তান সরকারকে নিয়ন্ত্রণ করে তাও বলেছেন অনেকে এবং পাকিস্তানে সরকার চালায় আসলে জঙ্গি সংগঠন ISI এও বহুবার প্রমান হয়ে গিয়েছে, এমনটাই মনে করছেন কূটনীতিকরা।



