Friday, 16 October, 2026
16 October
HomeদেশAbhijeet Dipke: বাড়ছে উত্তেজনা, সকালেই আশঙ্কা করেছিলেন; দীপকের বাড়িতে হঠাত্‍ পুলিশ, তেরঙা...

Abhijeet Dipke: বাড়ছে উত্তেজনা, সকালেই আশঙ্কা করেছিলেন; দীপকের বাড়িতে হঠাত্‍ পুলিশ, তেরঙা মার্চের আগেই গ্রেফতার

সমগ্র পরিস্থিতিটিকে অঘোষিত জরুরি অবস্থার সাথে তুলনা করে অভিজিৎ বলেন, "দেশে বাস্তবিক অর্থেই জরুরি অবস্থা চলছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বিশেষ জাতীয় প্রতিনিধি, নতুন দিল্লি:

ভোটার তালিকার বিশেষ সংক্ষিপ্ত সংশোধন (SIR)-এ অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে আন্দোলন তুঙ্গে তুলেছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। সেই কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে প্রস্তাবিত ‘তেরঙা ওড়াও’ অভিযানের ঠিক আগে জাতীয় রাজনীতিতে বইছে তীব্র উত্তেজনার পারদ। প্রস্তাবিত এই প্রতিবাদের আগেই শুক্রবার দুপুরে সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের গুরুগ্রামের বাড়িতে পৌঁছে যায় দিল্লি পুলিশ। আটকের আশঙ্কা সত্যি হওয়ার মুখে দাঁড়িয়ে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  দিল্লি যেন দুর্গ! ‘নজরবন্দি’ দীপকে, মোতায়েন ৩২০০০ পুলিশ

‘নম্বরহীন গাড়িতে নজরদারি’, মোদীকে জোরালো তোপ

অভিজিৎ দীপকের গুরুতর অভিযোগ, গোয়েন্দা সংস্থা (IB)-র কর্মীরা তাঁর ওপর নজরদারি চালাচ্ছেন এবং নম্বরপ্লেটহীন একাধিক গাড়ি তাঁকে ক্রমাগত অনুসরণ করছে। এমনকি, তাঁর বাসভবনের নিরাপত্তারক্ষীদের কাছ থেকেও নিয়মিত তাঁর গতিবিধি সম্পর্কিত তথ্য সংগৃহীত হচ্ছে।

এক সাংবাদিক সম্মেলনে অভিজিৎ কড়া ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, “জাতীয় পতাকা ওড়ানোর জন্য যদি এই দেশে আমাদের জেলে যেতে হয়, তবে আমরা তাতেই প্রস্তুত। কিন্তু এই পদক্ষেপের মাধ্যমে দেশের নাগরিকদের ভয় দেখানো সম্ভব নয়।” সিজেপির দুই শীর্ষ নেতা আশুতোষ রাঙ্কা এবং সৌরভ দাসকে ইতিমধ্যেই পুলিশ গ্রেফতার করেছে উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “জাতীয় পতাকা ওড়াতে চাওয়া মানুষকে কেন আটক বা গ্রেফতার করা হচ্ছে? ভারতের প্রধানমন্ত্রী কি তেরঙাকে ভয় পাচ্ছেন? জাতীয় পতাকাকে ভয় পেলে তাঁর প্রধানমন্ত্রী পদে থাকার যোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন ওঠে।“

সেন্ট্রাল পার্ক বন্ধের প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে তীব্র প্রতিবাদ

সিজেপির কর্মসূচি ভেস্তে দিতে বৃহস্পতিবারই নয়াদিল্লি মিউনিসিপ্যাল কাউন্সিল (NDMC) ১৬ ও ১৭ অক্টোবর কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্ক সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে।

এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করে অভিজিৎ প্রশ্ন তোলেন, “আমরা যদি আজ বলি ১০০টি জায়গায় তেরঙা ওড়াব, তবে কি প্রশাসন সব কটি স্থান বন্ধ করে দেবে? এরপর যদি আমরা নরেন্দ্র মোদীর নিজের কোনো রাজনৈতিক সমাবেশে গিয়ে জাতীয় পতাকা ওড়ানোর সিদ্ধান্ত নিই, তবে কি সেই সমাবেশও বাতিল করে দেওয়া হবে? প্রশাসন কি কোনো তামাশা চালাচ্ছে?” সরকার যদি তেরঙা পতাকাকে কোনো অপরাধ হিসেবে গণ্য করে, তবে শাসকদলকে স্পষ্টভাবে তা ঘোষণা করার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ বাড়ির দরজায় সমন সাঁটালো কোর্ট; বিপদ বাড়ছে ধ্রুব রাঠির

মুল দাবি ও দেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি

সিজেপি নেতৃত্বের স্পষ্ট বার্তা, তাঁদের আন্দোলন কেন্দ্র সরকার ফেলে দেওয়া বা কোনো সরকার পরিবর্তনের জন্য নয়। তাঁদের মূল দাবি—ভোটার তালিকায় কারচুপির অভিযোগে অভিযুক্ত মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে দ্রুত অপসারণ করা এবং একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন সুনিশ্চিত করা। জ্ঞানেশ কুমার কমিশনের অন্য দুই কমিশনারের মতামতকে তোয়াক্কা না করে একতরফা সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন বলেও অভিযোগ তোলা হয়েছে।

সমগ্র পরিস্থিতিটিকে অঘোষিত জরুরি অবস্থার সাথে তুলনা করে অভিজিৎ বলেন, “দেশে বাস্তবিক অর্থেই জরুরি অবস্থা চলছে। প্রধানমন্ত্রী শুধু নিজের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি রক্ষার খাতিরে আনুষ্ঠানিকভাবে তা ঘোষণা করছেন না।” সিজেপির এই তেরঙা মার্চ ঘিরে বর্তমানে দিল্লি ও সংলগ্ন এনসিআর অঞ্চলে নিরাপত্তা বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন