বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা রাষ্ট্রীয় জনতা দলের সুপ্রিমো লালুপ্রসাদ যাদবের মেয়ে রোহিণী আচার্য শনিবার রাজনীতি ও পরিবার ত্যাগ করলেন। বিধানসভা ভোটে দলের ভরাডুবির পর এদিন তিনি জানান, রাজনীতি ও পরিবারের সঙ্গে সমস্তরকম সম্পর্ক ত্যাগ করছি।
আরও পড়ুনঃ লিচুবাগান, সামশেরগঞ্জ, দেবীদাসপুর! মুর্শিদাবাদের জায়গায় জায়গায় উদ্ধার বোমা
যাবতীয় অভিযোগ গ্রহণ করে রোহিণী সঞ্জয় যাদবের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। উল্লেখ্য, সঞ্জয় হলেন তেজস্বী যাদবের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। রোহিণী বলেন, সঞ্জয় এবং রামিজের কথা অনুযায়ী তিনি এরকম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এক্সবার্তায় এদিন দুপুরে রোহিণী লিখেছেন, আমি রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি। একইসঙ্গে পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ করছি। সঞ্জয় যাদব ও রামিজ আমাকে এটাই করতে বলেছিলেন। আমি সমস্ত অভিযোগ মাথা পেতে নিচ্ছি। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের ধারণা, রোহিণীর এরকম সিদ্ধান্তের কারণ হল একটি চাপের কৌশল নেওয়া। দলের পরাজয়ের পরেও তেজস্বী আরজেডি বিদ্রোহী সঞ্জয় এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ রামিজ আলমের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেননি।
আরও পড়ুনঃ মিষ্টি বিতরণ করতে গিয়ে বিপদে পড়লেন দিনহাটার বিজেপি নেতা, আটক করল দিনহাটা পুলিশ
উল্লেখ্য, রোহিণীই প্রথম ব্যক্তি যিনি তেজস্বীর রথের আসনে সঞ্জয়কে বসে থাকতে দেখে আপত্তি তুলেছিলেন। দলের অন্দরে অনেকেই মনে করছিলেন যে, তেজস্বীর নামে দল পরিচালনা করছিলেন সঞ্জয়ই। কিন্তু, তাঁদের বিরুদ্ধে তেজস্বী কিংবা লালু-রাবড়ি কেউই ব্যবস্থা নেননি। সে কারণে পরিবারের সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদের কথা বলে বাবা-মায়ের উপর চাপ সৃষ্টি করতে চাইছেন রোহিণী।
প্রসঙ্গত, এই রোহিণীর আচার্যই বিয়ের পর সিঙ্গাপুরে গৃহিণী হিসেবে সংসার সামলাচ্ছিলেন। মেডিক্যাল গ্র্যাজুয়েট রোহিণীই বাবা লালুপ্রসাদকে কিডনি দান করে খবরের শিরোনামে এসেছিলেন। গতবছর সরন লোকসভা আসনে তিনি আরজেডির টিকিটে লড়াই করেন। কিন্তু, বিজেপির রাজীবপ্রতাপ রুডির কাছে হেরে যান।









