spot_img
Wednesday, 11 March, 2026
11 March
spot_img
HomeদেশLPG: পরিস্থিতি আয়ত্তেই! আর্জি অপচয় বন্ধের, গ্যাস বুকিংয়ের আড়াই দিনের মধ্যে সিলিন্ডার...

LPG: পরিস্থিতি আয়ত্তেই! আর্জি অপচয় বন্ধের, গ্যাস বুকিংয়ের আড়াই দিনের মধ্যে সিলিন্ডার মিলবে

এটা একটা সঙ্কটময় পরিস্থিতি। কিন্তু ভারতে জোগান নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সরকার পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

দেশে জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে। আতঙ্কের কোনও কারণ নেই। এমনটাই দাবি করল কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রের পেট্রলিয়াম মন্ত্রক বুধবার সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছে, গ্যাস বুক করার দুই থেকে আড়াই দিনের মধ্যেই সিলিন্ডার পাওয়া যাবে। ফলে অযথা ‘প্যানিক’ করার কারণ নেই। ভয় পেয়ে বাড়তি গ্যাস সিলিন্ডার বুক করে রাখারও প্রয়োজন নেই।

পেট্রলিয়াম মন্ত্রকের তরফে সাংবাদিক বৈঠক করেন মন্ত্রকের যুগ্মসচিব সুজাতা শর্মা। তিনি জানিয়েছেন, সঙ্কট আঁচ করে বাড়তি গ্যাস যাতে কেউ বুক করে না-রাখেন, তা নিশ্চিত করতে দু’টি গ্যাস বুকিংয়ের মধ্যেকার ন্যূনতম ব্যবধান ২১ দিন থেকে বাড়িয়ে ২৫ দিন করা হয়েছে। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে। খনিজ তেলের সরবরাহও নিয়ন্ত্রণে। ভারতে ঘরোয়া এলপিজি উৎপাদন ২৫ শতাংশ বেড়েছে। ঘরোয়া নয়, এমন এলপিজি (নন-ডোমেস্টিক)-এর ক্ষেত্রে হাসপাতাল এবং অন্যান্য জরুরি পরিষেবাগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ গ্রামবাংলায় বহুল পুজিতা, এই কলসেই থাকেন ৩৩ কোটি দেব-দেবী

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের কারণে দেশে জ্বালানি নিয়ে যে উদ্বেগের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে ভয় পেয়ে অনেকে আগেভাগে গ্যাস বুক করে রাখছেন। এই ‘প্যানিক বুকিং’ মূলত ভুল তথ্যের কারণে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সুজাতা। দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন তিনি। তবে গ্যাসের অপচয় বন্ধ করার আর্জিও জানিয়েছেন তিনি। বলেছেন, ‘‘সম্ভব হলে গ্যাস সংরক্ষণ করুন।’’

খনিজ তেল, স্বাভাবিক গ্যাসের জোগানের উপর পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির কী প্রভাব পড়েছে, দেশের জোগান কতটা, তার হিসাব দিয়েছে কেন্দ্র। সুজাতা বলেছেন, ‘‘খনিজ তেলের জোগান আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দেশে তেলের দৈনন্দিন খরচ প্রায় ৫৫ লক্ষ ব্যারেল। অন্তত ৪০টি দেশ থেকে খনিজ তেল আমদানি করি আমরা। হরমুজ় প্রণালী দিয়ে যে তেল আসে, তা ব্যাহত হয়েছে। তবে ৭০ শতাংশ জোগানই আসছে অন্য রাস্তা দিয়ে। আর কিছু দিনের মধ্যে তেলবোঝাই আরও দু’টি জাহাজ আসছে। ফলে জোগান বাড়বে।’’

আরও পড়ুনঃ এক্সপায়ারি ডেট মুছে নতুন করে বিক্রি! এ কি কাণ্ড করছে ‘আমুল’

স্বাভাবিক গ্যাসের ক্ষেত্রে ভারতের মোট খরচ দৈনন্দিন ১৮.৯ কোটি মেট্রিক আদর্শ ঘনমিটার (এমএসসিএমডি)। তার মধ্যে ৯.৭৫ কোটি এমএসসিএমডি গ্যাস ঘরোয়া ভাবে উৎপাদন করা হয়। বাকিটা আমদানি করা হয়। সরকার জানিয়েছে, ৪.৭৪ কোটি এমএসসিএমডি-র জোগান পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কটের কারণে প্রভাবিত হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য বিকল্প রুটে জোগান বৃদ্ধির চেষ্টা চলছে।

এলপিজি-র মোট চাহিদার ৬০ শতাংশ ভারত বাইরে থেকে আমদানি করে। তার ৯০ শতাংশ আসে হরমুজ় প্রণালী দিয়ে। গত ৮ মার্চ সরকার একটি নির্দেশিকা জারি করেছে। তাতে দেশের অভ্যন্তরে এলপিজি উৎপাদন বৃদ্ধি করতে বলা হয়েছে। কেন্দ্রের দাবি, এর ফলে ২৫ শতাংশ উৎপাদন বেড়েছে। রেস্তরাঁ, হোটেলের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কমিটি গঠন করা হয়েছে। দিল্লির বাজারে ঘরোয়া এলপিজির দাম ৬০ টাকা বেড়ে এখন ৯১৩ টাকা হয়েছে। উজ্জ্বলা যোজনার গ্রাহকেরা সিলিন্ডার পাচ্ছেন ৬১৩ টাকায়। সুজাতা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজি-র দাম যে পরিমাণ বেড়েছে, সেই অনুপাতে দেশে বাড়েনি। তা ছাড়া অনেক পড়শি দেশের চেয়েও ভারতে এলপিজি-র দাম কম। সুজাতা বলেন, ‘‘গ্যাসের জোগানের চক্রে কোনও পরিবর্তন হয়নি। বুকিং করলে আড়াই দিনের মধ্যেই গ্যাস পাওয়া যাবে। আগে থেকে সিলিন্ডার বুক করার কোনও প্রয়োজন নেই। এটা একটা সঙ্কটময় পরিস্থিতি। কিন্তু ভারতে জোগান নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সরকার পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেছে। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করছে। নাগরিকদের কাছে আমাদের অনুরোধ, ভয় পেয়ে বুকিং করবেন না। যেখানে সম্ভব গ্যাস সংরক্ষণ করুন।’’

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন