spot_img
Friday, 16 January, 2026
16 January
spot_img
Homeআবহাওয়াWeather Update: সিঙ্গল ডিজিটে নেমে এল দার্জিলিংয়ের তাপমাত্রা, পারদ-পতন তিলত্তমা সিটি অফ...

Weather Update: সিঙ্গল ডিজিটে নেমে এল দার্জিলিংয়ের তাপমাত্রা, পারদ-পতন তিলত্তমা সিটি অফ জয়-তেও

সোমবার দেশের সমতলভূমিতে শীতলতম স্থান ছিল ঝাড়খণ্ডের ডালটনগঞ্জ।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

কুশল দাশগুপ্ত, শিলিগুড়িঃ

রাতারাতি পারা নামল এক ডিগ্রির বেশি। আর তার জেরেই মরশুমে প্রথম বারের জন্যে সিঙ্গল ডিজিটে নেমে এল দার্জিলিংয়ের তাপমাত্রা। সোমবার শেষ রাতে (ক্যালেন্ডার মতে মঙ্গলবার) শৈলশহরের তাপমাত্রা ছিল ৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শুধু দার্জিলিং নয়, রবিবারের তুলনায় সোমবার রাতের তাপমাত্রা এক ডিগ্রি সেলসিয়াস কমেছে কলকাতাতেও। সোমবার গভীর রাতে মহানগরের তাপমাত্রা নেমে এসেছিল ১৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

আরও পড়ুনঃ তদন্তকারীদের র‌্যাডারে আল ফালাহ ইউনিভার্সিটি; ভোর রাতে হ্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট

উত্তর–পশ্চিম ভারত থেকে বয়ে আসা ঠান্ডা ও শুকনো বাতাসের প্রভাবে ইতিমধ্যেই দেশের উত্তর, উত্তর–পশ্চিম ও মধ্যভারতের তাপমাত্রা অতি দ্রুত পড়তে শুরু করেছে। মধ্যপ্রদেশে মঙ্গলবার জারি করা হয়েছে শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা। রাতের তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে বিহার এবং ঝাড়খণ্ডেও। সোমবার দেশের সমতলভূমিতে শীতলতম স্থান ছিল ঝাড়খণ্ডের ডালটনগঞ্জ। এখানকার তাপমাত্রা ছিল ১০.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহবিদরা মনে করছেন, ঠান্ডা হাওয়ার ওই প্রবাহ কয়েক দিনের মধ্যেই গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে এসে পৌঁছবে। তার পরেই বাংলার দক্ষিণের জেলাগুলিতে, বিশেষ করে দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিম দিকের বাঁকুড়া, বীরভূম ও পুরুলিয়ায় অতি দ্রুত তাপমাত্রা কমবে।

এখনও উত্তর–পশ্চিমের ঠান্ডা হাওয়া দক্ষিণবঙ্গের দখল পুরোপুরি নিতে পারেনি। তবু দক্ষিণবঙ্গের কোনও কোনও জায়গার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এর মধ্যেই কালিম্পংয়ের থেকে নীচে নেমে এসেছে। মঙ্গলবার সন্ধেয় আলিপুর হাওয়া অফিস জেলাভিত্তিক তাপমাত্রার যে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে— সোমবার শেষরাতে কালিম্পংয়ের তাপমাত্রা ছিল ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেই সময়ে সিউড়ি (১৪.২), শ্রীনিকেতন (১৪.৪), পুরুলিয়া (১৫), বাঁকুড়া (১৫.১) এবং কল্যাণী (১৫.৫) কিন্তু ছিল শীতলতর।

আরও পড়ুনঃ চওড়া টাক, উসকোখুসকো চুল, উদ্ধত চালচলন! উত্তরবঙ্গের অন্ধকার জগতের রহস্যময় বেতাজ বাদশা

আবহাওয়া বিশেষজ্ঞ রবীন্দ্র গোয়েঙ্কা বলেন, ‘বাংলার দক্ষিণ ভাগে শীত পড়ে প্রধানত উত্তর–পশ্চিমের ঠান্ডা হাওয়ার প্রভাবে। কিন্তু উত্তরবঙ্গে সম্পূর্ণ আলাদা আবহাওয়া প্যাটার্ন কাজ করে। উচ্চতা বেশি হওয়ার কারণে হিমালয়–সংলগ্ন জেলাগুলি পার্বত্য অঞ্চলের ঠান্ডা পায়।’ রবীন্দ্র জানাচ্ছেন, উত্তর–পূর্ব ভারতের উপরে আপাতত একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে। তার প্রভাবেই উত্তর–পূর্ব ভারত ও সংলগ্ন অনেকটা এলাকায় রাতের তাপমাত্রা খুব বেশি নামতে পারছে না।

তবে গত কয়েক দিন ধরে বঙ্গোপসাগরে আবহাওয়াজনিত কোনও রকম অস্থিরতা তৈরি না হওয়ায় সমুদ্রের উপরে মেঘের কোনও বাধা নেই। এই কারণেই উত্তর–পশ্চিম ভারত থেকে ঠান্ডা হাওয়ার প্রবাহ অবাধে ঢুকছে। এই সপ্তাহের শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি এমনটাই থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে। অন্য দিকে, দক্ষিণ ভারতের তামিলনাড়ু, পুদুচেরি ও কেরালায় বিক্ষিপ্ত ভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ওই বৃষ্টি বাংলার আবহাওয়ায় প্রভাব ফেলবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন