Wednesday, 24 June, 2026
24 June
HomeকলকাতাKolkata: পরিবর্তনের অন্য রূপ দেখল শহর তিলত্তমা, সমাবেশ সত্ত্বেও কলকাতায় স্বাভাবিক রইল...

Kolkata: পরিবর্তনের অন্য রূপ দেখল শহর তিলত্তমা, সমাবেশ সত্ত্বেও কলকাতায় স্বাভাবিক রইল যান চলাচল; থমকে গেল না শহর কলকাতা

কোথাও তেমন যানজট ছিল না।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

২৫ বৈশাখ, রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি সরকারের শপথগ্রহণ হয়েছে। সেই উপলক্ষে ব্রিগেড সংলগ্ন কিছু রাস্তায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করেছিল পুলিশ। তবে তার জন্য শহরের কোথাও বাড়তি যানজট তৈরি হয়নি। মোটের উপর স্বাভাবিক থেকেছে রাস্তাঘাট। যাঁরা রাস্তায় বেরিয়েছেন, তাঁদের যান নিয়ন্ত্রণের কারণে তেমন কোনও ভোগান্তির শিকার হতে হয়নি।

আরও পড়ুনঃ সোনার বাংলায় অর্থের অপচয়; রাস্তায় লাগল পরিববর্তনের রং

ব্রিগেডে শপথগ্রহণকে কেন্দ্র করে শনিবার সকাল থেকে ট্রাফিকে রাশ টানার কথা আগেই বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছিল কলকাতা পুলিশ। সেই মতো মালবাহী গাড়ির যাতায়াত পুরোপুরি বন্ধ ছিল। কোথাও কোথাও গাড়ি পার্কিংয়ে নিষেধাজ্ঞাও ছিল। প্রধানমন্ত্রীর সফরের জন্য এসপ্ল্যানেড র‌্যাম্প, কেপি রোড, হসপিটাল রোড, লাভার্স লেন, ক্যাসুরিনা অ্যাভিনিউ, কুইন্‌সওয়েতে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়। উত্তর থেকে দক্ষিণ কলকাতা বা দক্ষিণ থেকে উত্তর কলকাতার দিকে যেতে যাঁদের ব্রিগেড পেরোতে হয়েছে, তাঁদের কিছুটা ঘুরপথে যেতে হয়েছে। মা উড়ালপুলের দিক থেকে বা ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের দিক থেকে যাঁরা ব্রিগেডের দিকে এসেছেন, তাঁদের গাড়িও অন্য রাস্তায় ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে আগে থেকেই এই বিধিনিষেধের কথা ঘোষিত ছিল। যাঁরা জানতেন, তাঁদের তেমন সমস্যায় পড়তে হয়নি।

ব্রিগেডের সামনে সকাল থেকে পথচলতি মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেকেই পায়ে হেঁটে মাঠে গিয়েছেন। পার্ক স্ট্রিট থেকে ফোর্ট উইলিয়ামের দিকে আউটরাম রোডে অনেকে হাঁটছিলেন। ফোর্ট উইলিয়ামের সামনের রাস্তাতেও ভিড় ছিল। বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের ব্রিগেডমুখী যাত্রার কারণে সকালের দিকে বাইপাসে যান চলাচল স্বাভাবিকের তুলনায় ছিল শ্লথ। তবে কোথাও ট্রাফিক থমকে যায়নি।

আরও পড়ুনঃ শনিবারের ব্রিগেডে হিট ঝালমুড়ি ও কমলা মিষ্টি

অতীতে একাধিক রাজনৈতিক দলের ব্রিগেড সমাবেশ দেখেছে কলকাতা। এমনকি, কয়েক মাস আগে নির্বাচনী প্রচারের উদ্দেশে বিজেপিও ব্রিগেডে জনসভার আয়োজন করেছিল। সেখানেও প্রধানমন্ত্রী এসেছিলেন। কিন্তু প্রায় প্রতি ক্ষেত্রেই ব্রিগেড সমাবেশকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ট্রাফিকের ভোগান্তির চিত্রটি সমান ছিল। সাধারণত ব্রিগেডে বড়সড় কর্মসূচি থাকলে রাস্তাঘাটে গাড়িও কম থাকে। শনিবার তেমন কিছু দেখা যায়নি। একাংশের মতে, শনিবারের ব্রিগেডে কোনও রাজনৈতিক সভা ছিল না। বাইরে থেকে গাড়ি করে লোক আনার সুযোগও ছিল না। মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে এসেছেন। আগে থেকে পরিকল্পনা করায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে তেমন সমস্যা হয়নি। শুধু ব্রিগেডের আশপাশে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছিল।

ব্রিগেডের মঞ্চে রাজ্যপাল আরএন রবির উপস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে আরও পাঁচ জন মন্ত্রী শপথবাক্য পাঠ করেছেন। মন্ত্রিসভার সদস্য হচ্ছেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, ক্ষুদিরাম টুডু, আশোক কীর্তনিয়া, নিশীথ প্রামাণিকেরা। তাঁদের শপথের সাক্ষী থেকেছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মঞ্চে ছিলেন একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বিজেপিশাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা। ‘হাইভোল্টেজ’ এই শপথগ্রহণকে কেন্দ্র করে প্রথম থেকেই নিরাপত্তার কড়াকড়ি ছিল। প্রচুর পরিমাণে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন ছিল শহরের প্রাণকেন্দ্রে। সকলের মাঠে প্রবেশের অনুমতিও ছিল না। নির্দিষ্ট পরিচয়পত্র দেখিয়ে প্রবেশ করতে পারছিলেন কেউ কেউ। বাকিদের বাইরে দাঁড়িয়ে শপথগ্রহণ দেখতে হয়েছে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন