Saturday, 28 March, 2026
28 March
HomeদেশBlackout in India: আশঙ্কায় ঘুম উড়েছে আসমুদ্রহিমাচলের; ভয়ে কাঁপছে গোটা ভারত; অন্ধকারে...

Blackout in India: আশঙ্কায় ঘুম উড়েছে আসমুদ্রহিমাচলের; ভয়ে কাঁপছে গোটা ভারত; অন্ধকারে ডুবে যাবে গোটা দেশ! স্তব্ধ হবে মোবাইল! 

ইতিমধ্যেই এই বিস্ফোরণের প্রভাবে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আংশিক রেডিও ব্ল্যাকআউট দেখা দিয়েছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

ঠিক কী ঘটেছে? জানা গিয়েছে, বিশালাকার এক সানস্পট বা সৌরকলঙ্ক থেকে একের পর এক ধেয়ে আসছে আগুনের হলকা। আগামীকাল, ৫ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার পৃথিবীর ভাগ্যে ঠিক কী আছে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র জল্পনা।

আরও পড়ুনঃ নয় আসনের বিমান! ফের চালু হচ্ছে কোচবিহার-কলকাতা বিমান পরিষেবা

বিজ্ঞানীদের নজরে ‘রিজিয়ন ১৪৩৬৬’। এটি একটি সানস্পট। এই সানস্পটটি গত দু’দিনে সূর্যের বুকে তাণ্ডব চালিয়েছে। রবিবার সন্ধে নাগাদ সেখান থেকে সৃষ্টি হয়েছে ‘X8.1’ শ্রেণির এক ভয়াবহ সৌরশিখা। গত কয়েক বছরে এটি অন্যতম শক্তিশালী বিস্ফোরণ। এর আগে ২০২৪ সালের অক্টোবরে ‘X9.0’ মাত্রার একটি ঝড় আছড়ে পড়েছিল। এই বিস্ফোরণ তার প্রায় কাছাকাছি।

সূর্য এখন ভয়ংকর ক্রুদ্ধ। সূর্য থেকে বেরোচ্ছে ভয়ংকর শক্তিশালী বিকিরণ– সোলার ফ্লেয়ার। এর জেরে সারা পৃথিবী বিপন্ন হয়ে পড়তে পারে। ইসরো পর্যন্ত বিষয়টার উপর নজর রাখছে। তারা মনে করছে, স্ট্রং রেডিয়ো ব্ল্যাকআউটের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মার্কিন সংস্থা NOAA-এর স্পেস ওয়েদার প্রেডিকশন সেন্টার জানাচ্ছে, ৫ ফেব্রুয়ারি পৃথিবীতে ভূ-চৌম্বকীয় কার্যকলাপ বা জিও-ম্যাগনেটিক অ্যাক্টিভিটি চরমে পৌঁছতে পারে।

আরও পড়ুনঃ কলকাতার যেমন ‘অফিস পাড়া’; শিলিগুড়িতে তৈরি হল ‘কর্পোরেশন পাড়া’; উদ্বোধনে মেয়র গৌতম

সূর্য থেকে প্লাজমার একটি বিশাল মেঘ বা ‘করোনাল মাস ইজেকশন’ (CME) পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে। যদিও বিজ্ঞানীদের আশা, এই মেঘ পৃথিবীকে সরাসরি ধাক্কা না দিয়ে পাশ কাটিয়ে যাবে। তবে তার রেশ আছড়ে পড়বে বায়ুমণ্ডলে।

ইতিমধ্যেই এই বিস্ফোরণের প্রভাবে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আংশিক রেডিও ব্ল্যাকআউট দেখা দিয়েছে। ৫ ফেব্রুয়ারির মহাজাগতিক ঝাপটায় নিম্ন অক্ষাংশের এলাকাগুলোতে অরোরা বা মেরুজ্যোতি দেখা যেতে পারে।

তবে চিন্তার কারণ আছে। এই তীব্র সৌর ঝড়ে বিকল হতে পারে জিপিএস (GPS) ব্যবস্থা। যার বহুল প্রভাব পড়তে পারে মোবাইল নেটওয়ার্ক এবং স্যাটেলাইট যোগাযোগেও।

নাসা আগেই সতর্ক করেছিল, ২০২৪ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত সূর্য তার সোলার ম্যাক্সিমাম বা সর্বাধিক সক্রিয় পর্যায়ে থাকবে। প্রতি ১১ বছর অন্তর সূর্যের এই ভয়ংকর পাগলামি দেখা যায়। ২০২৫ সালের নভেম্বরে হওয়া X5.1 শিখাকে ছাপিয়ে এখন ১৪৩৬৬ সানস্পটটি নতুন আতঙ্ক তৈরি করেছে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন