ভোরের আলো তখনও ফোটেনি। তবে পেট্রল পাম্পে গিয়ে দেখা লম্বা লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে একের পর এক অটো। তাই ভোর রাত থেকেই লম্বা লাইন দিয়েছেন অটো চালকরা। রাজ্যজুড়ে যেহেতু এলপিজি সঙ্কট। একাধিক পাম্পেও নাকি পাঁচ থেকে ছ’টাকা দাম বাড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ করছেন অটোচালকরা। অথচ তাঁরা ভাড়া বাড়াতে পারছেন না। এমন অবস্থায় ফাঁপড়ে পড়েছেন অটোচালকরা।
আরও পড়ুনঃ সতর্কবার্তা লালবাজারের! গ্যাস নিয়ে আইনশৃঙ্খলার অবনতি যেন না হয়
মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠক করেছেন গ্যাস নিয়ে। আজও বৈঠকে বসবেন তিনি। কিন্তু এসবের মধ্যে চালকদের দাবি, একাধিক পাম্পে বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে টাকা। মাঝে ফেঁসে গিয়েছেন অটো চালকরা। কীভাবে চলবে তাঁদের সংসার? সেই প্রশ্নই করছেন তাঁরা। এমতাবস্থায় মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন তাঁরা। একদিকে যেমন দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে তাঁরা গ্যাস ভরছেন, তারপর হঠাৎ দামবৃদ্ধির জন্য অসুবিধায় পড়েছেন। অটো চালকদের দাবি, ৫ থেকে ৬ টাকা বাড়ানো হয়েছে রান্নার গ্যাসের দাম। আগে ছিল ৫৭ টাকা ৬৮ পয়সা এখন ৬২ টাকা ৬৮ পয়সা নেওয়া হচ্ছে।
এক অটো চালক বলেন, “আমরা শিক্ষিত। কিন্তু বেকার মানুষ। চাকরি নেই। না আছে রাজ্যে চাকরি না আছে কেন্দ্রে। এখন অটো চালিয়ে খাচ্ছি। আমার রোজগারের উপরই গোটা পরিবার চলে। এখন সেখানেও খেসারত দিতে হচ্ছে।” আরও একজন বলেন, “দুঘণ্টা লাইন দিয়ে গ্যাস ভরছি। ভাড়া বাড়াতে পারছি না। কীভাবে চালাব বলুন তো। দূরে-দূরে গিয়ে গ্যাস ভরাতে হচ্ছ।”
আরও পড়ুনঃ এবার সবার ‘কোষ্টকাঠিন্য’ হবে? ৬০ টাকা নয়, আরও বাড়তে পারে সিলিন্ডারের দাম
এই ছবি শুধু একা কলকাতার নয়। জেলায়-জেলায় এক ছবি, বাঁকুড়া-শিলিগুড়ি, পুরুলিয়া, বর্ধমান, মেদিনীপুর সহ সব জায়গাতেই লম্বা লাইন দিয়ে গ্যাস ভরতে হচ্ছে। কিন্তু সরকারের নির্দেশিকা ছাড়া কি পেট্রোল পাম্পে তেলের দাম বাড়ানো যায়? উঠছে প্রশ্ন।







