Monday, 27 April, 2026
27 April
HomeকলকাতাWB: আজ থেকেই বাংলার দায়িত্বে রবীন্দ্র নারায়ণ রবি, ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী

WB: আজ থেকেই বাংলার দায়িত্বে রবীন্দ্র নারায়ণ রবি, ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক স্তরে সন্ত্রাসবাদ দমনের জন্য একাধিক অত্যন্ত গোপনীয় তথ্য আদানপ্রদানের ক্ষেত্রেও তাঁর কাজের সুনাম রয়েছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

কলকাতার লোকভবন (সাবেক রাজভবন)-এ শপথ নিলেন পশ্চিমবঙ্গের নবনিযুক্ত রাজ্যপাল রবীন্দ্র নারায়ণ রবি। তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করালেন কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী, বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু প্রমুখ।

আরও পড়ুনঃ জ্বালানি সঙ্কটে আশার আলো! ভারতকে ‘গ্রিন সিগন্যাল’ ইরানের

নির্ধারিত সময় মেনেই সকাল সাড়ে ১১টায় শপথগ্রহণ শুরু হয়। শপথগ্রহণের আগে এবং পরে জাতীয় গান বন্দে মাতরম্ এবং জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন গাওয়া হয়। শপথ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী-সহ অতিথিদের সঙ্গে আলাপ করেন নতুন রাজ্যপাল।

সিভি আনন্দ বোসের ইস্তফার পরে পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী রাজ্যপাল হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয় রবিকে। এত দিন তিনি ছিলেন তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল। বুধবারই কলকাতায় পৌঁছোন বোসের উত্তরসূরি। তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল থাকাকালীন ডিএমকে সরকারের সঙ্গে বার বার সংঘাতে জড়িয়েছেন রবি। গত কয়েক বছরে বিভিন্ন বিল ঘিরে এমকে স্ট্যালিনের সরকারের সঙ্গে রবির সংঘাত প্রকাশ্যে এসেছে। এমনকি, রাজ্যপালকে সরানোর জন্য রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছেও আর্জি জানিয়েছিলেন স্ট্যালিনেরা। এ বার আনন্দ বোসের উত্তরসূরি হিসাবে সেই রবিকেই পশ্চিমবঙ্গের লোকভবনের দায়িত্ব দেওয়া হল।

আরও পড়ুনঃ যুদ্ধের আগুন এবার বাংলার মন্দিরে! এবার কি হবে?

রাজ্যপালের পদ থেকে বোসের আচমকা ইস্তফা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল পদে থাকা রবির নাম পরবর্তী রাজ্যপাল হিসাবে ঘোষিত হওয়ার পর পরই সমাজমাধ্যমে মমতা লিখেছিলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল শ্রী সিভি আনন্দ বোসের আচমকা পদত্যাগের খবরে আমি স্তম্ভিত এবং গভীর ভাবে উদ্বিগ্ন’। এর পরে তিনি লেখেন, “এই মুহূর্তে তাঁর (বোস) পদত্যাগের কারণ আমার জানা নেই। তবে, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে, রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে কিছু রাজনৈতিক স্বার্থরক্ষার জন্য রাজ্যপাল যদি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর চাপের মুখে পড়েন তবে আমি অবাক হব না।”

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন