ডিজে হুমকি মামলায় আরও চাপ বাড়ল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এবার সেই মামলার তদন্তভার চলে গেল সিআইডি-র হাতে। একদিন আগেই বিধাননগর সাইবার শাখার হাত থেকে তদন্তভার নেয় সিআইডি। পুলিশের তরফে সমস্ত তথ্য সিআইডি-র তদন্তকারীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, নির্বাচনের প্রচারপর্বে কার্যত হুঁশিয়ারির সুরেই অভিষেক বলেছিলেন ৪ তারিখ ডিজে বাজবে। তাঁর সেই বক্তব্যকে হাতিয়ার করেই বিধাননগরের সাইবার থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছিল অভিষেকের বিরুদ্ধে। এই সংক্রান্ত বিষয়ে যে সমস্ত ফেসবুক লিঙ্ক, ভিডিয়ো লিঙ্ক সবই সংগ্রহ করা হচ্ছে। কেস ডায়েরিও হস্তান্তর হয়ে গিয়েছে। ফলে অভিষেক যে এখন রীতিমতো সাঁড়াশি চাপে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
আরও পড়ুনঃ ‘ডাকাত রানি’ ও ‘লম্পট সাংসদ’-এর তকমা! তৃণমূল ছেড়ে বেরিয়েই মমতা-অভিষেককে বেনজির আক্রমণ সুখেন্দুর!
অন্যদিকে সই জালিয়াতি কাণ্ডে জল গড়িয়েছিল আদালতে। কিন্তু হাজিরা দিতেই হচ্ছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে যেতে হবে ভাবনীভবনে সিআইডি-র দফতরে। এদিকে এদিন বিকাল সাড়ে চারটে নাগাদ দিল্লি থেকে কলকাতা বিমানবন্দরে নামেন অভিষেক। কলকাতায় পৌঁছাতেই ফের শুনলেন চোর চোর স্লোগান। এদিকে যে সময় একটি মামলায় রক্ষাকবচ মিললেও তাঁকে ভবানীভবনে আসতে হচ্ছে সেই একই সময়ে অন্য একটি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তথ্য প্রমাণ জোগাড় করতে শুরু করেছে সিআইডি।
আরও পড়ুনঃ বিমানবন্দরে অভিষেককে ঘিরে ‘চোর’ স্লোগান; জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করছে CID
প্রসঙ্গত, বিধানসভায় সই জালিয়াতিকাণ্ডে জোরকদমে তল্লাশি চলাচ্ছে সিআইডি। আগে অভিষেকের বাড়িতেও গিয়েছিল সিআইডি-র টিম। একইসঙ্গে কালীঘাটে ৩০বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে তৃণমূলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ঘিরেও চলে তল্লাশি। ওই ঠিকানা থেকেই চিঠি গিয়েছিল বিধানসভার অধ্যক্ষদের কাছে। এর আগে ৩ বার সিআইডি তিনবার ডেকে পাঠালেও যাননি অভিষেক। তবে আপাতত আদলতে জল গড়ালে মিলেছে ১৪ দিনের রক্ষাকবচ। তবে হাইকোর্টের তরফে স্পষ্ট বলা হয়েছে তদন্তে সবরকমভাবে সহযোগিতা করতেই হবে অভিষেককে।


