নিটের প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে ধর্মতলায় সিজেপি (CJP) এবং ছাত্র সংগঠনগুলির আন্দোলন চলাকালীন হিংসা ও সাংবাদিকদের উপর হামলার ঘটনায় পুলিশ ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আগেই এই বিষয়ে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন।
কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত সিপি (ক্রাইম) কুণাল আগরওয়াল জানিয়েছেন, ধৃতদের কেউই ছাত্র নন; তাদের “অশান্তি সৃষ্টিকারী” হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যারা সিজেপির সমাবেশে ভাঙচুরে অংশ নিয়েছিল। এদিকে সিজেপি কলকাতা পুলিশকে ইমেল করে জানিয়েছে যে, ধৃতদের সাথে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই।
আরও পড়ুনঃ বড় সিদ্ধান্তের অপেক্ষা! জরুরি বৈঠকে মোদি-শাহ, তলব একাধিক রাজ্যের নেতাদের
ধৃতদের তালিকা:

-
ইরফান খুরশিদ (৩০), জোড়াসাঁকো
-
আরশাদ আলি (৫০), আমহার্স্ট স্ট্রিট
-
মো. মইনউদ্দিন (২৬), তিলজলা
-
মো. আলমগির (৪৮), জোড়াসাঁকো
-
ইমরান আহমেদ (১৯), জোড়াসাঁকো
-
খালিদ রেজা (৪৭), জোড়াসাঁকো
-
জমির আহমেদ (৪২), বেনিয়াপুকুর
-
মহসিন খান (৩০), কড়েয়া
-
দীপক ভৌমিক (৩৮), কড়েয়া
-
মো. আজাদ, গার্ডেনরিচ (অণ্ডালের দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে রাজ্য থেকে পালানোর সময় গ্রেফতার)
-
মো. আফরোজ, মেটিয়াবুরুজ (অণ্ডালের দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে রাজ্য থেকে পালানোর সময় গ্রেফতার)
আরও পড়ুনঃ ডার্বি জিতে মরসুম শুরু মোহনবাগানের
বিতর্ক:
মুখ্যমন্ত্রী যে পাঁচজনের নাম নির্দিষ্ট করে উল্লেখ করেছিলেন, তার মধ্যে একজন হলেন মো. আফরোজ। সোশ্যাল মিডিয়ায় তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) নেতাদের সাথে আফরোজের ভিডিও সামনে আসায় বিতর্ক তৈরি হয়েছে এবং দলের সাথে তার সম্ভাব্য যোগসূত্র নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে এখনো এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।
প্রেক্ষাপট:
ধর্মতলায় প্রতিবাদ আন্দোলন একসময় রণক্ষেত্রের রূপ নেয়, যখন ইট, বোতল, লাঠি এবং জুতো ছোড়া হয়। পুলিশ কর্মীদের উপর হামলা হয় এবং একাধিক সাংবাদিক গুরুতর আহত হন। এদের মধ্যে রয়েছেন চিত্র সাংবাদিক দীপঙ্কর দাশগুপ্ত ও মাখন পাত্র এবং সাংবাদিক সুমন মহাপাত্র। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এসএসকেএম (SSKM) হাসপাতালে আহতদের দেখতে যান এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।


