Sunday, 26 July, 2026
26 July
HomeকলকাতাKolkata: উৎসব মরশুমে ছোট্ট চোখে আশার আলো, ছোট্ট ইচ্ছার বাড়িতে প্রতিমার অর্ডারের ঢল

Kolkata: উৎসব মরশুমে ছোট্ট চোখে আশার আলো, ছোট্ট ইচ্ছার বাড়িতে প্রতিমার অর্ডারের ঢল

গত এক দশকে কলকাতা ও শহরতলিতে গণেশ পুজোর জনপ্রিয়তা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

শুরু হয়ে গেল জন্মষ্টমী পুজোর প্রস্তুতি।কয়েক সপ্তাহ আগে থেকেই কলকাতার বেলেঘাটা অঞ্চলে ছোট্ট শিল্পী ইচ্ছার কাছে কৃষ্ণ, গোপাল, গণেশ প্রতিমার অগ্রিম অর্ডার আসতে শুরু করেছে। ফলে চলতি উৎসবের মরশুম নিয়ে নতুন করে আশার আলো দেখছেন ইচ্ছার মা, বাবা ও দিদিমা।

যদিও এ বছর গণেশ পুজো ৪ ঠা সেপ্টেম্বর, তবুও উল্টো রথের দিনকে শুভ মনে করে বহু বাড়ির মানুষ এবং আবাসনের পক্ষ থেকে প্রতিমার বায়না বা অগ্রিম বুকিং করা শুরু করেছে।

শিল্পী ইচ্ছা বেরার মা জানান, শুধু উল্টো রথের দিনেই তিনি পাঁচটি গণেশ প্রতিমার অর্ডার পেয়েছেন। তাঁর কথায়, অনেক বাড়ির মানুষ প্রতি বছর এই দিন থেকেই গণেশ পুজোর প্রস্তুতি শুরু করেন এবং প্রথম কাজ হিসেবে প্রতিমা বুক করেন।

আরও পড়ুনঃ শয্যাশায়ী ছোট্ট অর্কজিত, দরকার ৯ কোটির ইঞ্জেকশন! চিকিৎসায় পথে নামছে শহর

তিনি আরও জানান, উৎসবের কয়েক দিন আগে থেকেই অধিকাংশ আবাসনের ও বাড়ির মানুষ প্রতিমা নিয়ে যেতে চান। তাই চাহিদা সামলাতে ইচ্ছা অনেক আগেই প্রতিমা তৈরির কাজ শুরু করে দেয়। উল্টো রথে যাঁরা প্রতিমা বুক করেছেন, তাঁদের জন্যও ইতিমধ্যেই কয়েকটি প্রতিমা তৈরি করে রাখা হয়েছে।

এক সময় মহারাষ্ট্র এবং পশ্চিম ভারতের কয়েকটি রাজ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও গত এক দশকে কলকাতা ও শহরতলিতে গণেশ পুজোর জনপ্রিয়তা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

শিল্পীর মা গীতাঞ্জলী বেরার মতে, গণেশ পুজোর এই জনপ্রিয়তার পিছনে একাধিক কারণ রয়েছে। নতুন ব্যবসা ও স্টার্টআপের সংখ্যা বৃদ্ধি, শুভ সূচনা ও সমৃদ্ধির দেবতা হিসেবে গণেশের প্রতি মানুষের আকর্ষণ এবং জনপ্রিয় সংস্কৃতি, বিশেষ করে বলিউডের প্রভাব, এই উৎসবকে আরও জনপ্রিয় করে তুলেছে। তার সাথে রয়েছে জন্মষ্টমীর কৃষ্ণ, গোপাল পুজো।

সাম্প্রতিক বছরগুলিতে গণেশ পুজো রাজনৈতিক গুরুত্বও পেয়েছে। দুর্গাপুজোর পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় গণেশ পুজোর আয়োজন বাড়ায় উৎসবের পরিধিও বিস্তৃত হয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে।

আরও পড়ুনঃ খুব সাবধান লাল চোখে সতর্ক, ‘জয় বাংলা’ এসেছে কলকাতায়!

কুমোরটুলির প্রতিমাশিল্পী গৌরাঙ্গ পাল জানান, এ বছর এমন অনেক আয়োজক প্রতিমার অর্ডার দিয়েছেন, যাঁরা প্রথমবার গণেশ পুজো করতে চলেছেন। তাঁর মতে, এটি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে চলতি বছরে নতুন গণেশ পুজোর সংখ্যা বাড়তে পারে।

শিল্পীদের আশা, শুধু নতুন পুজোই নয়, পুরনো অনেক পুজো কমিটিও এবার আরও বড় আকারে আয়োজন করবে। তার ফলে বড় মাপের ও নকশাদার গণেশ প্রতিমার চাহিদাও বাড়বে। উল্টো রথের দিন থেকেই যে হারে অর্ডার আসতে শুরু করেছে, তাতে কুমোরটুলিতে উৎসবের ব্যস্ততা আরও বাড়বে বলেই মনে করছেন প্রতিমাশিল্পীরা।

 

 

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন