আমেরিকায় বিবেকানন্দ মন জয় করলেও, দেশের ফিরে পড়েন দেশীয়দের কোপে। কালাপানি পেরোনোর জন্য এ দেশের মানুষের চোখে বিরাগভাজন হন।
আরও পড়ুনঃ তারা একজন তান্ত্রিক দেবী; বৌদ্ধ ধর্মে দেবী তারা
ভারতে ফেরার পর,স্বামীজি ঢুকতে পারেননি দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের প্রাঙ্গনে। তিনি এখানে প্রায়শই তাঁর গুরু শ্রী রামকৃষ্ণকে দেখতে যেতেন। কিন্তু কালাপানি পেরোনোয় তাঁর ধর্মীয় পবিত্রতা নষ্ট হয়েছে এই অভিযোগ তুলে তাঁর মন্দিরে প্রবেশাধিকার ছিনিয়ে নিয়েছিলো সে যুগের স্বঘোষিত গন্যমান্যরা..
কায়স্থ বিবেকানন্দের সন্ন্যাস নেওয়া ঘিরে সে যুগে বেশ জলঘোলা হয়েছিল। কায়েস্থর ছেলের সন্ন্যাসী হওয়াকে কলকাতার গোঁড়া রক্ষণশীল সমাজ যেমন ভালোচোখে দেখেনি তেমনই তাঁর সন্ন্যাস নেওয়াকে কলকাতার সনাতনীরা এবং বাংলার সাধুসমাজও ভালোভাবে মেনে নেয় নি। আর এ বিষয়ে স্বামী বিবেকানন্দ যে শুধুমাত্র কলকাতার বাঙালিদের হাতে বিড়ম্বিত হয়েছিলেন এমনটা নয়, দক্ষিণ ভারতেও স্বামীজিকে বিভিন্ন বিদ্রুপের সম্মুখীন হতে হয়েছিল।
আরও পড়ুনঃ ছুটির দিনে কেমন থাকবে বঙ্গের আবহাওয়া
স্বামীজি তখন দক্ষিণ ভারতের মাদ্রাজে। সেখানে একদিন কয়েকজন ব্রাহ্মণ এসে স্বামীজিকে জিজ্ঞাসা করিলেন, “স্বামীজি আপনার কী জাতি?”
স্বামীজি বুঝলেন ব্রাহ্মণবর্গ তাঁকে অপদস্ত করার উদ্দেশ্যেই এ ধরনের প্রশ্ন করেছে। তাই স্বামীজি গম্ভীর হয়ে এর প্রত্যুত্তরে বললেন, “যে জাত রাজা সৃষ্টি করে আমি সেই জাতের লোক।”
উত্তর শুনে সেদিন ব্রাহ্মণদের মাথা হেঁট হয়ে গিয়েছিলো..









