spot_img
Monday, 2 March, 2026
2 March
spot_img
Homeদক্ষিণবঙ্গVishvakarma Puja 2025: "আবার সে এসেছে ফিরিয়া"; আজকে এই ভরা শীতে বিশ্বকর্মা পুজো!...

Vishvakarma Puja 2025: “আবার সে এসেছে ফিরিয়া”; আজকে এই ভরা শীতে বিশ্বকর্মা পুজো! পুজো করছে কারা? কোথায় হচ্ছে?

মানুষদের বড় আনন্দের দিন এই সময়। এই মানুষদের অক্লান্ত পরিশ্রমে আমাদের বাংলার মা বোনেরা সেজে ওঠে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বাংলার পুজোর তালিকায় যে কয়টি পুজো মোটামুটি একই সময়ে বা একই তারিখে হয় তার মধ্যে বিশ্বকর্মা পুজোর নাম আগে উঠে আসে। ছোট থেকে সবাই জেনে এসেছি দুর্গাপুজোর আগে ভাদ্র সংক্রান্তিতে বাবা বিশ্বকর্মা আসেন, পুজো নেন। সমাজের কারিগর, শিল্পীদের সে কি উন্মাদনা। কিন্তু সে বিশ্বকর্মা পুজোর দিন পেরিয়ে গেছে বহু দিন, “আবার সে এসেছে ফিরিয়া“!

বাবা বিশ্বকর্মা আবার মর্তে চলে এসেছেন, এই ভরা শীতে পুজো নিচ্ছেন, জাঁকজমক হচ্ছে। কিন্তু এই পুজো করছে কারা? কোথায় হচ্ছে?

আরও পড়ুনঃ ফের মর্মান্তিক রেল দুর্ঘটনা, বরুয়া নদীতে পড়ে গেল বেশ কিছু কামরা! 

বাংলা ক্যালেন্ডার দেখলে দেখা যাবে আজ পৌষের শুক্লা নবমী, আর লেখা আছে “বঙ্গীয় তন্তুবায় সমিতির বিশ্বকর্মা পূজা“! এ বড় অদ্ভুত

হুগলির বেগমপুর, খরসরাই, ছোট তাজপুর এলাকায় কম বেশি অনেক তাঁতিদের বাস। এনারাই এই সময় পুজো করেন। কিন্তু ভাদ্র সংক্রান্তি বাদ গেল কেন?

একটু ভাবলেই উত্তর পাওয়া যায়, দুর্গাপূজার আগে আগে যে বিশ্বকর্মা পূজা, তখন তাঁতিদের ব্যস্ততা থাকে চরমে! ছুটি বলতে সেসময়ে কিছু থাকেনা। কিন্তু এই ভরা শীতে তাদের ব্যস্ততা তুলনামূলক কম। আর তাই দুর্গানবমী থেকে গুনে গুনে প্রায় দু-তিনমাস পর এবার পৌষের শুক্লা নবমীতে হচ্ছে বাবা বিশ্বকর্মার পূজাএধরনের অকাল পুজোর ভাবনা অনেকটা নবদ্বীপের শাক্তরাসের সূচনার ইতিহাসের সাথেও মিলে যায়।

এই মূর্তি বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই থাকে দুই হাতের বিশ্বকর্মা, যা চার হাতের বিশ্বকর্মার থেকে পৃথক। আরেকটা বিষয় পৃথক থাকে, সেটি হল এনার বাহনে। এনার বাহন ঘোড়া

তাঁত বোনার যে যন্ত্র থাকে তা ব্যবহারের সময় যে শব্দ হয় তা অনেকটাই ঘোড়ার ক্ষুরের শব্দের মত। কি সুন্দর এই বিষয়টি মাথায় রেখে ঠাকুরের বাহন ঘোড়া রাখা হয়েছে

আরও পড়ুনঃ হাড়কাঁপানো ঠান্ডা, ঘন কুয়াশা; একাধিক শহরে বাতিল বহু উড়ান 

মূলত তাঁত শিল্পীদের ঘরোয়া পুজো এটি, তবে বারোয়ারী পুজোও জাঁকজমক ভাবে হয়। নজরকাড়া প্যাণ্ডেল, প্রতিমা, আলোকসজ্জা সব থাকে। সাথে থাকে ঘুড়ির লড়াই।

তন্তুবায় সম্প্রদায়ের মানুষদের বড় আনন্দের দিন এই সময়। এই মানুষদের অক্লান্ত পরিশ্রমে আমাদের বাংলার মা বোনেরা সেজে ওঠে।

আজকের যান্ত্রিক সভ্যতায় হাতে তৈরি শাড়িকে অনেকেই গুরুত্ব দেন না, কিন্তু এটা আমাদের সম্পদ। আসুন না, শিল্পীদের হাতের কাজকে নিজেরা ব্যবহার করে শিল্পীদের সাহায্য করি। অর্থনীতি সবল করি। বঙ্গভূমিকে আরও সমৃদ্ধ করি!

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন