spot_img
Wednesday, 4 March, 2026
4 March
spot_img
HomeকলকাতাAIDSO: ফি-বৃদ্ধি বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে উত্তাল পশ্চিমবাংলা

AIDSO: ফি-বৃদ্ধি বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে উত্তাল পশ্চিমবাংলা

কোচবিহার থেকে কাকদ্বীপ— সর্বত্র বিদ্যালয়গুলি কোথাও ৭০০ টাকা, কোথাও ৮০০ টাকা, আবার কোথাও ১৪০০ টাকা ফি আদায় করছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

ফি-বৃদ্ধি বিরোধী ছাত্র আন্দোলন প্রসঙ্গে AIDSO রাজ্য সম্পাদক বিশ্বজিৎ রায় আজ রাজ্য অফিসে সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন – “সরকারী স্কুলগুলিতে ফি সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারের সুনির্দিষ্ট  নির্দেশিকা থাকা সত্ত্বেও (মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত ভর্তির ফি সর্বাধিক ২৪০/-) রাজ্যের বেশিরভাগ বিদ্যালয় সেই নির্দেশিকাকে উপেক্ষা করে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে তিনগুণ-চারগুণ-পাঁচগুণ বেশি অর্থ আদায় করছে। জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং থেকে স্কুল ছাত্র-ছাত্রীদের এই আন্দোলন শুরু হলেও বর্তমানে তা কোচবিহার, দুই দিনাজপুর, দুই মেদিনীপুর সহ গোটা বাংলায় ছাত্র আন্দোলনের ঢেউ ছড়িয়ে পড়েছে।

আরও পড়ুনঃ “নরিয়েগা, সাদ্দাম, গাদ্দাফি ও মাদুরো” আমেরিকার মিত্র–শত্রু রাজনীতির রক্তাক্ত অধ্যায়; আজ মিত্র কাল শত্রু

কোচবিহার থেকে কাকদ্বীপ— সর্বত্র বিদ্যালয়গুলি কোথাও ৭০০ টাকা, কোথাও ৮০০ টাকা, আবার কোথাও ১৪০০ টাকা ফি আদায় করছে। এই বিপুল অংকের টাকা দিতে না পেরে বিভিন্ন জায়গায় ছাত্র-ছাত্রীরা প্রতিবাদ বিক্ষোভে ফেটে পড়ছে। উত্তর থেকে দক্ষিণ, জঙ্গলমহল থেকে সুন্দরবন — সর্বত্রই বাড়তি ফি প্রত্যাহারের দাবীতে ছাত্র-ছাত্রীরা এআইডিএসও’ র নেতৃত্বে কোথাও পথ অবরোধ, কোথাও স্কুলের গেটে তালা, কোথাও আবার প্রশাসনের চোখে চোখ রেখে অদম্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।  ইতিমধ্যে জেলায় জেলায় স্কুল স্তরে, জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক দপ্তরে স্মারকলিপি প্রদানের মধ্য দিয়ে ছাত্র সংগঠন AIDSO প্রতিবাদ জানিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর উদ্দেশ্যে স্মারকলিপিও প্রদান করা হয়েছে। ছাত্র-ছাত্রীরা যখন বিভিন্ন জায়গায় আন্দোলন করছে সেই আন্দোলনের উপর নামছে পুলিশি বর্বরতা। ফি-বৃদ্ধির বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে দার্জিলিং জেলায় গ্রেপ্তার হয়েছে ৪ স্কুল ছাত্রী সহ ১৯জন প্রতিবাদী।

এর পাশাপাশি স্কুলগুলিতে শিক্ষক নিয়োগ না হওয়ার ফলে, কম্পোজিট গ্রান্টের টাকা না দেওয়ার ফলে, শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগ না হওয়ার ফলে স্কুলগুলো মারাত্মক পরিকাঠামোহীনতায় ভুগছে। আমরা এই সমস্যা সমাধানের দাবিতে লাগাতার রাস্তার আন্দোলন পরিচালনা করছি। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছি সরকারি স্কুলে অর্থবরাদ্দ  করার জন্য। কিন্ত আমরা লক্ষ করছি  সরকারি স্কুলগুলোতে এই অতিরিক্ত টাকার বোঝা স্কুলগুলো সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর চাপিয়ে দিচ্ছে।  আমরা মনে করি সরকারি স্কুল  বাঁচানোর দাবিতে শিক্ষকদেরও এই আন্দোলনে সামিল হওয়া উচিত।  এই সমস্যার সমাধান না হলে আমরা স্থায়ী আন্দোলন গড়ে তুলবো।

আরও পড়ুনঃ হাভানা থেকে কড়া বার্তা! ভেনেজুয়েলার পাশে রক্ত দিতে প্রস্তুত কিউবা

আবার কেন্দ্রীয় সরকার HECI বিল আনার মধ্য দিয়ে সমগ্র উচ্চ শিক্ষাকে কেন্দ্রীয় সরকারের চূড়ান্ত নিয়ন্ত্রণাধীন করতে চায়। আমরা ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকে আগামীকাল এবং আগামী পরশু অর্থাৎ ৬ এবং ৭ জানুয়ারি রাজ্যের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবাদ-বিক্ষোভ সভার ডাক দিয়েছি।

সরকারি শিক্ষা বাঁচানোর দাবিতে ক্যাম্পাস থেকে রাজপথ সর্বস্তরের মানুষ সর্বত্র প্রতিরোধ আন্দোলনের সামিল হওয়ার জন্য আহ্বান করছি”

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন