পশ্চিমবঙ্গে ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে শীতের দাপট ফিরে আসছে।আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আজ (৯ ফেব্রুয়ারি) দক্ষিণবঙ্গে শুকনো আবহাওয়া বজায় থাকবে, কোনও বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ১৫-১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি, যা স্বাভাবিকের থেকে ২-৩ ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠবে ২৮-৩০ ডিগ্রির মধ্যে।
আরও পড়ুনঃ ১১ বছরের অচলাবস্থার অবসান! মোদী সরকারের যুগান্তকারী পেনশন বৃদ্ধি; বেসরকারি কর্মচারীদের জন্য স্বস্তি
সকালে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা যেতে পারে, বিশেষ করে হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রামের মতো জেলায়। দিনভর রোদ থাকবে, আকাশ পরিষ্কার থাকার সম্ভাবনা বেশি। আর্দ্রতা ৬০-৭০% এর কাছাকাছি থাকবে, বাতাসের গতি মৃদু উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে।দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলায়ও একই রকম ছবি।
কলকাতা-সহ গঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে আগামী ৩-৪ দিন ন্যূনতম তাপমাত্রায় বড় পরিবর্তন নেই, তারপর ধীরে ধীরে ২-৩ ডিগ্রি বাড়তে পারে। জঙ্গলমহল এলাকায় (বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর) রাতের তাপমাত্রা আরও কম থাকবে, ১২-১৪ ডিগ্রির মধ্যে। সকালের কুয়াশা দৃশ্যমানতা কমাতে পারে, বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে।
আরও পড়ুনঃ শুরু হতে চলেছে ইন্ডিয়ান সুপার লিগ; বাগানে নতুন মুখ, অনুশীলনে যোগ দিচ্ছেন রানাওয়াড়ে
কোনও ঘন কুয়াশা বা শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা নেই, তবে সকালে বাইরে বেরোলে হালকা শীত অনুভূত হবে। দিনের বেলা রোদেলা আবহাওয়া থাকবে, যা শীতের পরিবেশকে আরামদায়ক করে তুলবে।উত্তরবঙ্গে আজও শুকনো আবহাওয়া প্রধান। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা এই জেলাগুলোতে সকালে অগভীর থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকবে, দৃশ্যমানতা ২০০-৯৯৯ মিটারের মধ্যে কমতে পারে।
তাপমাত্রা সর্বনিম্ন ১৪-১৮ ডিগ্রি, সর্বোচ্চ ২৬-২৮ ডিগ্রির কাছাকাছি। দিনভর রোদ থাকবে, কোনও বৃষ্টি বা ঝড়ের সম্ভাবনা নেই। উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকায় হালকা ঠান্ডা অনুভূত হবে, বিশেষ করে সকাল-সন্ধ্যায়।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, পশ্চিমী ঝঞ্ঝা সরে যাওয়ায় উত্তুরে হাওয়া প্রবেশ করছে, যা রাতের তাপমাত্রা কমিয়ে শীতের আমেজ ফিরিয়ে আনছে। আগামী কয়েকদিন এই পরিস্থিতি বজায় থাকবে, তারপর ধীরে ধীরে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে। কোনও বড় সতর্কতা নেই না বৃষ্টি, না ঘন কুয়াশা, না শৈত্যপ্রবাহ। তবে সকালের কুয়াশার কারণে গাড়ি চালানোর সময় সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।









