Thursday, 16 April, 2026
16 April
HomeকলকাতাLionel Messi: মেসি-মূর্তির জমির মালিক কে? লেকটাউন ঘুরে মিলল না উত্তর

Lionel Messi: মেসি-মূর্তির জমির মালিক কে? লেকটাউন ঘুরে মিলল না উত্তর

মেসির মূর্তির গায়ে অবশ্য মেসি আর সুজিতের নাম। আর নাম রয়েছে শিল্পী মন্টি পালের।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

হিড়িক কমেনি। স্থানীয়রা তো বলেই দিচ্ছেন, যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে লোকমুখে এই পার্কের নাম না মেসি পার্ক হয়ে যায়!

আরও পড়ুনঃ পিছিয়ে গেল বিয়ে! ভারত থেকে ফিরেই মেসির পরিবারে এ কি হল?

স্থানীয় স্কুলের শিক্ষিকা স্নিগ্ধা সেন পার্কে বসেই বললেন, ‘‘এখানকার উন্নয়নের যা কাজ, সবই করেন সুজিতদা। বিবেকানন্দের মূর্তির জন্য এটাকে অনেকে বিবেকানন্দ পার্ক বলত। তবে এখন তো সবাই মেসি পার্কই বলছে!’’ মেসির স্ট্যাচুকে ঘিরে আপ্লুত স্থানীয় বাসিন্দা গুনগুন রায়ের কথায়, ‘‘কে দেখাশোনা করে জানি না। তবে মেসির স্ট্যাচু হওয়ায় এখানে উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে।’’

যুবভারতীতে মেসিকে ঘিরে বিশৃঙ্খলা হলেও হায়াতে তেমন কিছু হয়নি। তা নিয়ে সুজিত সংবাদমাধ্যমে যা বলেছেন, তাতে তাঁর শ্লাঘাই প্রকাশ পেয়েছে বলে অভিমত অনেকের। কিন্তু আদালত প্রশ্ন তুলে দিয়েছে জমির মালিকানা নিয়ে। সরকারের তরফে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সোমবার আদালতে জানিয়েছিলেন, তাঁর কাছে এ বিষয়ে কোনও তথ্য নেই। মঙ্গলবারও একই কথা বললেন কল্যাণ। সেই সঙ্গে প্রশ্ন তুললেন, ‘‘সরকারি জায়গায় কি আর মূর্তি নেই? এই প্রথম কোনও মূর্তি হল না কি? রেড রোডে অম্বেডকর, মেয়ো রেডো মহাত্মা গান্ধী, হাজরা মোড়ে ইন্দিরা গান্ধী, শ্যামবাজারে নেতাজি, ধর্মতলায় লেনিনেরও মূর্তি আছে। কারও ক্ষমতা থাকলে কোর্টে গিয়ে বলুক যে, তারা মেসির মূর্তি ভাঙতে চায়।’’

ঘটনাচক্রে, মেসির মূর্তির অদূরেই রয়েছে স্বামী বিবেকানন্দের একটি আবক্ষ মূর্তি। সেটিরও উদ্বোধক সুজিত। তবে সেই মূর্তির গায়ে লেখা ‘সৌজন্যে লেকটাউন অ্যাসোসিয়েশন’। মেসির মূর্তির গায়ে অবশ্য মেসি আর সুজিতের নাম। আর নাম রয়েছে শিল্পী মন্টি পালের। তবে লেকটাউন অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক অর্ণব সাহাও জানিয়ে দিলেন, জমির মালিকানা কার, তাঁর জানা নেই। কে জানে? সুজিতের অফিসের কেউ বলতে পারলেন না। বলতে পারার মতো কোনও বড় কর্তা ছিলেন না তাঁর ক্লাব শ্রীভূমিতেও।

আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশে আঘাত এলে জবাব দেবে পাকিস্তান! ভারতকে প্রকাশ্য হুমকি পিএমএল নেতার

জমিটি পূর্ত দফতরের না কি পুরসভার জায়গায়? দক্ষিণ দমদম পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান তথা দমদমের রাজনীতিতে সুজিত-ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত নিতাই দত্তের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি ফোন ধরেননি। পুরপ্রধান কস্তুরী চৌধুরীও নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারলেন না। তাঁর বক্তব্য, ‘‘জায়গাটি যত দূর জানি পূর্ত দফতরের। সম্ভবত।’’ রাজ্যের পূর্তমন্ত্রী পুলক রায় অবশ্য মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বললেন, ‘‘পূর্ত দফতরের জায়গা কি না এখনই বলতে পারছি না। পরে জেনে বলব।’’

তবে নাম প্রকাশে নারাজ এক তৃণমূল নেতা খোঁজখবর নিতে দেখে মৃদু হেসে বললেন, ‘‘আহা! এ আবার কী প্রশ্ন? জমি কি ভগবান কাউকে লিখেপড়ে দেন না কি? জমি যখন যার দখলে, জমি তখন তার।’’

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন