রাজনৈতিক ও সামাজিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন যে, শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে এই আন্দোলন কেবলমাত্র প্রতিবাদী কর্মসূচি নয়, বরং নাগরিক সচেতনতা বাড়ানোর একটি মাধ্যম হিসেবেও কাজ করছে।
দূরভাগা রাজ্যে রাজনীতি আর ভোটের ইস্যু এখন ধর্মের উন্নয়ন আর মন্দির, মসজিদ স্থাপন। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কাজের অধিকার গোল্লায় যাক!আইনের শাসন যখন ভেঙে পড়ে, মানুষের নিরাপত্তা শিকেতে উঠে তখন শাসক মানুষের ধর্মীয় আবেগ নিয়ে খেলা করে।হুমায়ুন ও দাবার বোরে মাত্র।