spot_img
Monday, 16 February, 2026
16 February
spot_img
Homeগল্প"বিসর্জন " সৌমেন মুখোপাধ্যায়

“বিসর্জন ” সৌমেন মুখোপাধ্যায়

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

“বিসর্জন “
সৌমেন মুখোপাধ্যায়

ফটিক ব্যানার্জীর দলবল নিয়ে মাঠের মধ্যে নিজের বাহাদুরি দেখিয়ে দশ বিঘা জমি অন্য এক বিদেশী শহুরে ব্যক্তির কাছে বিক্রি করতে চায়। কিছু নগদ টাকাও নিয়ে নেয়। টাকার লোভে পরের জমি নিজের করে নেওয়া তার এক বড় বদ অভ্যাস।
“এই যে হুঁজুর, এখানে।” দশ বারো জন লেঠেলের সাথে প্রতাপ চক্রবর্তীকে সঙ্গে করে হুকো মহন্ত মাঠে উপস্থিত হয়।
প্রতাপ চক্রবর্তীকে দেখে ফটিক ব্যানার্জী ছুটে গিয়ে তার পা জড়িয়ে ধরে বলে, আমাকে মাপ করে দিন হুঁজুর। আমার জানা ছিল না হুঁজুর। “
পা দুটো ছাড়াবার জন্য প্রতাপ চক্রবর্তী চেষ্টা করতে থাকে, বলে, “কি হচ্ছে ফটিক, আমার পাগুলো ছাড়ো। তোমার এতবড় সাহস হয় কি করে তুমি এর জমিগুলো নিজের বলে জোর করে বিক্রি করো ?”
“না হুঁজুর। ” ফটিক ব্যানার্জী ভয়ে আমসি হয়ে আরো বলে,”আমি তো জমি দেখতে এসেছিলাম, আর কিছু নয়।”
“তাহলে উনি কে ?” ধমকের সুরে প্রতাপ চক্রবর্তী বলে।
“উনি আমার খুবই নিকট আত্মীয়। আমার সাথে গ্রাম পরিদর্শনে এসেছেন। এখন আমি আসি হুঁজুর। ” এই বলে ফটিক ব্যানার্জী একটু সরে এসে হুকো মহন্তের কাছে এসে তার কানে কানে বলে, “এখনকার মতো ছেড়ে দিলাম। পরে দেখে নেবো।” কথাগুলো বলে ফটিক দলবল নিয়ে সেইখান থেকে চলে যায়।
“হুঁজুর আপনি না থাকলে আমাদের গ্রামের অনেক ক্ষতি হয়ে যেত। “
“কি হয়েছিল মহন্ত?”
“হুঁজুর, আমি ওর কাছে পাঁচশ টাকা ধার করেছিলাম, ধান কাটা হয়ে গেলে সুদ সমেত ফেরত দিয়ে দেব। কিন্তু হুঁজুর…”
“তুমি আমাকে বলতে পারতে মহন্ত, আমি তোমাকে দিতাম। যাক, যা হবার তাতো হবেই। এখন তুমি বাড়ী যাও।”
“ঠিক আছে হুঁজুর। ” এই বলে হুকো মহন্ত বাড়ীর দিকে রওনা দেয়।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন