spot_img
Friday, 6 February, 2026
6 February
spot_img
HomeদেশUIDAI: একদিনে নিষ্ক্রিয় ২.৫ কোটি আধার; বড় পরিচ্ছন্নতা অভিযান

UIDAI: একদিনে নিষ্ক্রিয় ২.৫ কোটি আধার; বড় পরিচ্ছন্নতা অভিযান

2.5 crore Aadhaar cards deactivated in a day

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

আধার কার্ডের ডাটাবেসে একটা বড় পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলছে। মোদী সরকার লোকসভায় জানিয়েছে যে ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি অফ ইন্ডিয়া এখন পর্যন্ত ২.৫ কোটিরও বেশি মৃত ব্যক্তির আধার নম্বর নিষ্ক্রিয় করে দিয়েছে। এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য পরিচয়পত্রের অপব্যবহার রোধ করা এবং জালিয়াতি বন্ধ করা।

আরও পড়ুনঃ CPI(M)-র কফিনের শেষ পেরেক পুঁতে দিলেন সেলিম! রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর প্রশ্নের মুখে সেলিম

৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী জিতিন প্রসাদা লোকসভায় লিখিত উত্তরে এই তথ্য জানান।মন্ত্রী বলেন, “দেশব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযানের অংশ হিসেবে আধার ডাটাবেসের নির্ভুলতা ও অখণ্ডতা বজায় রাখতে UIDAI এখন পর্যন্ত ২.৫ কোটিরও বেশি মৃত ব্যক্তির আধার নম্বর নিষ্ক্রিয় করেছে।

কোনও ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার আধার নম্বর নিষ্ক্রিয় করা অত্যন্ত জরুরি, যাতে পরিচয় জালিয়াতি বা সরকারি সুবিধা অবৈধভাবে নেওয়া রোধ করা যায়।” এই নিষ্ক্রিয়করণ আধার ডাটাবেসকে আরও নিরাপদ ও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলছে।আধার এখন ভারতের সবচেয়ে বড় বায়োমেট্রিক পরিচয় ব্যবস্থা প্রায় ১৩০ কোটিরও বেশি মানুষের আধার রয়েছে। এই বিপুল সংখ্যায় মৃত্যুর পর নম্বর সক্রিয় থাকলে অনেক সমস্যা হয়।

কেউ মৃত ব্যক্তির আধার ব্যবহার করে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলতে পারে, সরকারি সুবিধা (যেমন পেনশন, রেশন, আয়ুষ্মান ভারত) নিতে পারে, বা অন্যান্য জালিয়াতি করতে পারে। এই ধরনের অপব্যবহার রোধ করতে UIDAI নিয়মিত ডাটাবেস স্যানিটাইজ করছে। মৃত্যুর তথ্য পাওয়ার পর (পরিবারের রিপোর্ট, সিভিল রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম বা অন্যান্য সূত্র থেকে) নম্বর নিষ্ক্রিয় করা হয়।

আরও পড়ুনঃ ‘মাস্টারস্ট্রোক’ দিতে পারবেন মমতা! চন্দ্রিমা বাজেট বই খুললেই মিলবে উত্তর

এই অভিযানের ফলে আধারের নিরাপত্তা অনেক বেড়েছে। সরকার আরও বলেছে যে আধারে বায়োমেট্রিক লক, ফেস অথেনটিকেশন সহ লাইভনেস ডিটেকশনের মতো ফিচার চালু করা হয়েছে। এতে জালিয়াতির ঝুঁকি কমেছে। মন্ত্রী প্রসাদা জানান, মৃত্যুর পর আধার নিষ্ক্রিয় করা না হলে সেটা অবৈধ অথেনটিকেশন বা সরকারি সুবিধা চুরির জন্য ব্যবহার হতে পারে।

এই পদক্ষেপ সুবিধা সরাসরি প্রকৃত প্রাপকের কাছে পৌঁছানো নিশ্চিত করছে।এই খবর সাধারণ মানুষের কাছে স্বস্তির। অনেকে জানেন না যে পরিবারের কোনও সদস্য মারা গেলে আধার নিষ্ক্রিয় করা দরকার। UIDAI-র ওয়েবসাইটে অনলাইন সার্ভিস রয়েছে যাতে মৃত্যুর রিপোর্ট করে নম্বর নিষ্ক্রিয় করা যায়। এতে পরিবারের অন্য সদস্যদের সমস্যা হয় না, বরং জালিয়াতি রোধ হয়। সরকারের এই ক্লিন-আপ অভিযান দেখিয়ে দিচ্ছে যে আধার শুধু পরিচয় নয়, নিরাপত্তারও অংশ।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন