Wednesday, 29 April, 2026
29 April
HomeকলকাতাPhase 2 voter: দ্বিতীয় দফায় ম্যাচ ছেড়ে দিচ্ছে বিজেপি; ইঙ্গিত কিন্তু সেদিকেই,...

Phase 2 voter: দ্বিতীয় দফায় ম্যাচ ছেড়ে দিচ্ছে বিজেপি; ইঙ্গিত কিন্তু সেদিকেই, দ্বিতীয় দফায় তৃণমূলকে ওয়াকওভার! ১ টা অব্দি ভোট পড়ল ৬১.১১%

দুপুর ১টা পর্যন্ত পাওয়া সরকারি হিসেব অনুযায়ী, রাজ্যে মোট ভোটদানের হার দাঁড়িয়েছে ৬১.১১ শতাংশ।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

প্রথম দফায় বিজেপির যাবতীয় আসন! তাই কমিশন ও বাহিনী কড়া! কিন্তু দ্বিতীয় দফায় এখনো পর্যন্ত গাছাড়াভাব কমিশন এবং কেন্দ্রিয়বাহিনীর! এখানে মূলত তৃণমূলের আসন। চার জেলায় বিজেপি শূন্য! তাহলে কি দ্বিতীয় দফায় ম্যাচ ছেড়ে দিচ্ছে বিজেপি! ইঙ্গিত কিন্তু সেদিকেই! ভোটার দিন আরো পরিষ্কার হয়ে যাবে দ্বিতীয় দফায় তৃণমূলকে ওয়াকওভার দিলো কিনা! তবে এখনো পর্যন্ত রাশ আলগা!

বঙ্গে দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ ঘিরে সকাল থেকেই ছিল চরম উত্তেজনা, তবে তার মধ্যেই ভোটারদের উৎসাহ চোখে পড়ার মতো। দুপুর ১টা পর্যন্ত পাওয়া সরকারি হিসেব অনুযায়ী, রাজ্যে মোট ভোটদানের হার দাঁড়িয়েছে ৬১.১১ শতাংশ। ভোট শুরুর মাত্র ছয় ঘণ্টার মধ্যেই এই হার স্পষ্ট করে দিচ্ছে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে মানুষ কতটা আগ্রহী।

আরও পড়ুনঃ দোল দোল দুলুনি, রাঙা মাথায় চিরুনি, বাহিনী আসবে এখুনি; নিয়ে যাবে তক্ষণই! বালিতে লাঠিচার্জ কেন্দ্রীয় বাহিনীর

জেলা ভিত্তিক পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যাচ্ছে, পূর্ব বর্ধমান এই দফায় সবচেয়ে এগিয়ে। সেখানে দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৬৬.৮০ শতাংশ, যা অন্যান্য জেলার তুলনায় অনেকটাই বেশি। গ্রামাঞ্চলে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন এবং সকালের দিকেই বুথমুখী হওয়ার প্রবণতা এই উচ্চ হারের পিছনে বড় কারণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

হুগলিতেও ভোটদানের হার যথেষ্ট উল্লেখযোগ্য। সেখানে দুপুর পর্যন্ত ৬৪.৫৭ শতাংশ ভোট পড়েছে। শিল্পাঞ্চল এবং গ্রামীণ এলাকার মিশ্র প্রভাব থাকা সত্ত্বেও ভোটারদের সক্রিয় অংশগ্রহণ এই জেলায় স্পষ্ট। অন্যদিকে, নদিয়ায় ভোটের হার ৬১.৪১ শতাংশ, যা রাজ্যের গড়ের কাছাকাছি।

হাওড়ায় ভোট পড়েছে ৬০.৬৮ শতাংশ। শহর ও শহরতলির মিশ্র চরিত্র থাকা এই জেলায় ভোটারদের উপস্থিতি ছিল স্থির এবং ধারাবাহিক। একইভাবে উত্তর ২৪ পরগনায় ভোটের হার দাঁড়িয়েছে ৫৯.২০ শতাংশ। এই জেলায় একাধিক সংবেদনশীল বুথ থাকা সত্ত্বেও ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া মোটামুটি শান্তিপূর্ণভাবেই এগিয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

কলকাতার দুই কেন্দ্র উত্তর ও দক্ষিণ এ ভোটদানের হার তুলনামূলকভাবে কিছুটা কম। কলকাতা উত্তরে দুপুর ১টা পর্যন্ত ৬০.১৮ শতাংশ ভোট পড়েছে, আর দক্ষিণ কলকাতায় তা ৫৭.৭৩ শতাংশ। শহুরে জীবনের ব্যস্ততা, কর্মদিবসের চাপ এবং আবহাওয়ার প্রভাব এই সব কারণেই শহরে ভোটের হার তুলনামূলকভাবে কম থাকে বলে মনে করা হয়।

দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভোটের হার ৫৮.৫৮ শতাংশ। বিস্তীর্ণ এলাকা, নদীবিধৌত অঞ্চল এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও ভোটারদের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্য বলেই মনে করছেন নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা। সামগ্রিকভাবে দেখা যাচ্ছে, গ্রামাঞ্চল শহরের তুলনায় অনেকটাই এগিয়ে ভোটদানের ক্ষেত্রে। সকাল থেকেই বিভিন্ন বুথে দীর্ঘ লাইন, প্রথমবার ভোট দিতে আসা তরুণ-তরুণীদের উৎসাহ, প্রবীণ ভোটারদের উপস্থিতি সব মিলিয়ে গণতন্ত্রের এক প্রাণবন্ত ছবি ফুটে উঠেছে।

আরও পড়ুনঃ ফলতায় ইভিএমে টেপ মেরে চলছে ভোট!

তবে কিছু জায়গায় বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবরও সামনে এসেছে, যা ভোটের আবহে নতুন নয়। তবুও প্রশাসনের কড়া নজরদারি এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে অধিকাংশ জায়গাতেই ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে চলছে বলে জানা গিয়েছে।

রাজনৈতিক মহলের মতে, দুপুর ১টা পর্যন্ত এই উচ্চ ভোটদানের হার ভবিষ্যতের ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। সাধারণত বেশি ভোট পড়া মানেই ভোটারদের মধ্যে পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা বা প্রবল রাজনৈতিক আগ্রহের ইঙ্গিত বহন করে। তবে শেষ পর্যন্ত ভোটের চূড়ান্ত হার এবং ফলাফলই নির্ধারণ করবে এই দফার রাজনৈতিক সমীকরণ।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন