Tuesday, 7 April, 2026
7 April
Homeআন্তর্জাতিক নিউজPakistan: চাঞ্চল্যকর দাবি, পাকিস্তানের ৮০ শতাংশ পুরুষই সমকামী, বাকিরা উভকামী

Pakistan: চাঞ্চল্যকর দাবি, পাকিস্তানের ৮০ শতাংশ পুরুষই সমকামী, বাকিরা উভকামী

মুখে না বললেও বাস্তবে পাকিস্তানের ১০০ শতাংশ পুরুষই সমকামী বা উভকামী।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

মুসলিম রাষ্ট্র পাকিস্তানে সমকাম একটি গুরুতর অপরাধ। তবে মুখে না বললেও বাস্তবে পাকিস্তানের ১০০ শতাংশ পুরুষই সমকামী বা উভকামী। সম্প্রতি এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন পাকিস্তানের রূপান্তরকারী অধিকার চেয়ে আন্দোলনকারী হেনা বালোচ। তাঁর দাবি, ‘পাকিস্তানের ৮০ শতাংশ পুরুষই সমকামী এবং বাকি ২০ শতাংশ উভকামী।’

আরও পড়ুনঃ হায় রে, কি অবস্থা! নাইট ক্লাবে বিশেষ মুহূর্তে গোপন তথ্য অবলীলায় ফাঁস করছেন মার্কিন সেনারা

সম্প্রতি পাকিস্তানের এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হিনা বালোচ বলেন, “পাকিস্তানের যৌনতা নিয়ে একটি বিষয় সকলের জানা। কিন্তু প্রকাশ্যে তারা একথা স্বীকার করে না।” তাঁর দাবি অনুযায়ী, “সমাজ, ধর্ম ও পারিবারিক সম্মানের ভয়ে লোকেরা নিজেরদের আসল পরিচয় লুকোয়।” এরপরই তিনি বলেন, “পাকিস্তানের ৮০ শতাংশ পুরুষ সমকামী। এবং বাকি ২০ শতাংশ উভকামী।” হিনার এহেন দাবি সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। সোশাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ভাইরাল হতে শুরু করেছে তাঁর এই মন্তব্য। নেটিজেনদের একাংশও এই দাবিকে সত্য বলে দাবি করছেন, আবার কেউ কেউ এটাকে অতিশয়োক্তি বলছেন।

মুসলিম রাষ্ট্রগুলিতে সমকামীতা এক গর্হিত অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। পাকিস্তানও তার ব্যাতিক্রম নয়। ধর্ম, সমাজ ও পারিবারিক কারণে কেউ প্রকাশ্যে এই বিষয়ে মুখ খোলেন না। বালোচ নেত্রীর এহেন মন্তব্য সামনে আসার পর স্বাভাবিকভাবেই অস্বস্তি বেড়েছে সে দেশে। শুরু হয়েছে বিতর্ক। তবে অনেকেই তাঁকে সমর্থন করেছেন। জানিয়েছেন, ‘পাকিস্তানের মতো দেশে এই ধরনের ঘটনা অনেকেই ভাবতে পারেন না। তার অর্থ এটা নয় যে পাকিস্তানে সমকামীতা নেই। সেখানে রূপান্তরকামীদের হিনার কাজ নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে।’

আরও পড়ুনঃ গৃহযুদ্ধের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে দেশে দেশে অর্থ ভিক্ষা পাক প্রধানমন্ত্রী-সেনা প্রধানের

উল্লেখ্য, পাকিস্তানের বাসিন্দা হিনা নিজেকে তৃতীয় লিঙ্গ হিসেবেই দাবি করেন। শৈশব থেকে নানা প্রতিকুলতার মধ্যে বড় হয়েছেন তিনি। পাকিস্তানে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের অর্থ উপার্জনের মূল রাস্তা হল ভিক্ষাবৃত্তি ও নাচ-গান। তৃতীয় লিঙ্গ হওয়ার জেরে শৈশব থেকেই শোষনের শিকার হন তিনি। তবে যাবতীয় বাধা ভেঙে পরবর্তী সময়ে সামাজিক আন্দোলন ও এলজিবিটিদের অধিকার রক্ষায় কাজ করেছেন তিনি। এর জেরে হুমকির মুখেও পড়তে হয় তাঁকে। পড়ে লন্ডনের সোয়াস বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃত্তি নিয়ে সেখানে চলে যান তিনি।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন