spot_img
Friday, 16 January, 2026
16 January
spot_img
Homeউত্তরবঙ্গJalpaiguri Rajganj: ফের বিতর্কে প্রশান্ত! বন্দুক হাতে বিডিও’র গাড়ি চেপে ছিনতাই

Jalpaiguri Rajganj: ফের বিতর্কে প্রশান্ত! বন্দুক হাতে বিডিও’র গাড়ি চেপে ছিনতাই

তবে কি প্রভাবশালী বিডিও’র নাম জড়ানোতেই পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করেনি? প্রশ্ন উঠছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

কুশল দাশদুপ্ত, শিলিগুড়িঃ

পুরোনো একটি ছিনতাই ও তোলাবাজির মামলায় রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মনের নাম নিয়ে আবার টানাহ্যাঁচড়া শুরু হয়েছে। সেই মামলায় বিডিও’র তৎকালীন নিরাপত্তারক্ষী এবং গাড়ির চালকের নামে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ ‘বিহারিবাবু’র কাণ্ড! নীতীশের প্রশংসায় পঞ্চমুখ তৃণমূল সাংসদ শত্রুঘ্ন সিন্‌হা; অবগত দলনেতা অভিষেক

২০২৪ সালের ৬ এপ্রিল আমবাড়ি ফাঁড়িতে (বর্তমানে যা ভোরের আলো থানা) একতিয়াশালের বাসিন্দা সমীরকুমার সিংহ নামে এক ব্যক্তি ছিনতাই এবং তোলাবাজির লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। অভিযোগ, ওই সময় বিডিও যে ভাড়ার গাড়িতে চড়তেন সেই গাড়ি ব্যবহার করে তোলাবাজি এবং ছিনতাই করা হয়েছিল। আর ওই সময় বিডিও’র যে নিরাপত্তারক্ষীরা ছিলেন, তাঁদের মদতেই গোটা ঘটনা ঘটেছিল। অভিযুক্ত তিনজন নিরাপত্তারক্ষীই আলিপুরদুয়ার জেলা পুলিশের অধীনস্ত ছিলেন। তাঁদের প্রত্যেককে সাসপেন্ড করে বিচার বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছিল। কিন্তু যে গাড়ি ব্যবহার করে কাজ করা হল সেই গাড়ির চালক কিংবা মালিক কাউকেই এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটান পুলিশ। আপাতত মামলাটির তদন্ত করছে শিলিগুড়ি পুলিশের গোয়েন্দ বিভাগ। কিন্তু ঘটনার পর প্রায় দেড় বছর কেটে গেলেও এখনও কোনও পদক্ষেপ না হওয়ায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

তবে কি প্রভাবশালী বিডিও’র নাম জড়ানোতেই পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করেনি? প্রশ্ন উঠছে। যদি বিডিও’র কোনও যোগ না থাকে, তবে তিনিই বা কেন ঘটনা জানার পর কোনও পদক্ষেপ করেননি, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। এই প্রসঙ্গে বিডিও প্রশান্ত বর্মনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁর বক্তব্য, ‘আমি এই বিষয়ে না জেনে কিছু বলতে পারব না।’

গোয়েন্দা বিভাগের কাজকর্ম দেখেন শিলিগুড়ি পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (সদর) তন্ময় সরকার। এই প্রসঙ্গে তাঁর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। মেসেজেরও জবাব দেননি।

আরও পড়ুনঃ পাঁচদফা দাবিতে শিলিগুড়িতে বাংলা পক্ষর মহামিছিল, মিছিলে জনজোয়ার, এলাকায় বিরাট সাড়া

২০২৪ সালের ৬ এপ্রিল কাপড় ব্যবসায়ী সমীর প্রায় আড়াই লক্ষ টাকার কাপড় নিয়ে আমাবাড়ি ক্যানাল রোড ধরে বাড়ি ফিরছিলেন। অভিযোগ, হঠাৎই রাতে একটি নীলবাতির গাড়িতে (ডব্লিউবি ৭২-ডব্লিউ ৯৮৯৩) চেপে তিনজন বন্দুকধারী এবং আরও একজন ব্যক্তি এসে তাঁর গাড়ি আটকায়। একজন তাঁর বুকে বন্দুক ধরে এবং বাকিরা সমস্ত কাপড় লুট করে পালিয়ে যায়। সেই ব্যবসায়ী পরের দিন পুলিশের কাছে যান। তাঁকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে বলা হয়। ওই সময় ব্যবসায়ী খবর পান রাজগঞ্জের বিডিও অফিসে একই নম্বরের গাড়ি দাঁড়িয়ে রয়েছে। খবর পেয়ে ব্যবসায়ী সেখানে গিয়ে দেখতে পান যে গাড়িতে দুষ্কৃতীরা এসেছিল সেই গাড়িটি সেখানেই রয়েছে। সামনে ‘বিডিও রাজগঞ্জ’ বোর্ড লাগানো রয়েছে। যারা গিয়েছিল তারাও সেখানে পুলিশের পোশাক পরে দাঁড়িয়ে রয়েছে। এরপরেই তিনি এসে তৎকালীন আমবাড়ি ফাঁড়িতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে ঘটনায় পুলিশের লোকই জড়িত রয়েছে। আর বিডিও’র গাড়ি ব্যবহার করা হয়েছে। এরপরেই এফআইআর দায়ের হয়। তারপর থেকে মামলাটি হিমঘরে পড়ে রয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছে বিরোধীরাও। শিলিগুড়ির বিধায়ক শংকর ঘোষের বক্তব্য, ‘রাজ্যের একজন প্রথম সারির আমলার বিরুদ্ধে খুন, লুটপাটের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও সরকার চুপ। তাহলে কী এর পেছনে বড় কিছু রহস্য রয়েছে। কেঁচো খুড়তে কেউটে বের হয়ে যাবে দেখে কী সরকার চুপ?  প্রভাবশালী আমলার নাম জড়িয়েছে দেখেই হয়তো পুলিশও পদক্ষেপ করেনি।’

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন