সোমেন দত্ত, কোচবিহারঃ
এবার কমিশনের ‘প্রতিনিধির’ সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়লেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী। ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জনের শুনানি পর্বের তৃতীয় দিন সাক্ষী থাকল চরম বিশৃঙ্খলার। কোথাও বিধায়ক ঢুকে বন্ধ করে দিলেন শুনানি। কোথাও বা শুনানি কেন্দ্রে ‘তদারকি’ করতে ঢুকে পড়লেন তৃণমূলের পঞ্চায়েতের উপপ্রধান। এবার সেই তালিকাতেই যেন নব্য় সংযোজন রাজ্য়ের মন্ত্রী। প্রবীণ ভোটারদের সঙ্গে বিএলএ-২-দের ঢুকতে কেন বাধা দেওয়া হচ্ছে, প্রশ্ন তুলে AERO-এর সঙ্গে বিবাদ শুরু করে দিলেন উদয়ন গুহ।
আরও পড়ুনঃ খালেদা জিয়ার প্রয়াণে শোকবার্তা হাসিনার, শোকপ্রকাশ মোদীর
ঘটনা দিনহাটার ২নং ব্লকের সাহেবগঞ্জ এলাকার। সেখানেই অস্থায়ী ভাবে তৈরি হয়েছে এসআইআর-এর শুনানি কেন্দ্র। সোমবার শুনানির তৃতীয় দিনে ওই কেন্দ্রে পৌঁছে যান উদয়ন। তারপর তুঙ্গে বিবাদ।
ভোটকেন্দ্রে বিএলএ-দের কেন ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না, প্রশ্ন তোলেন রাজ্যের মন্ত্রীর। এদিন শুনানি কেন্দ্রে উপস্থিত AERO-এর সঙ্গে বচসা লেগে যায় তাঁর। উদয়ন গুহকে বলতে শোনা যায়, ‘এখানে অনেক লোক রয়েছেন, যাঁরা ঠিক করে কথা পর্যন্ত বলতে পারেন না। ওনারা বিডিও-র সঙ্গে কীভাবে কথা বলবেন?’
আরও পড়ুনঃ সর্বস্বান্ত হলেন ব্যবসায়ীরা! ভস্মীভূত ২০০-এর অধিক দোকান; পুড়ে ছাই যদুবাবুর বাজার
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েও একই সুর উদয়নের। তাঁর কথায়, ‘জনস্বার্থে শুনানি কেন্দ্রে বিএলএ-২-দের রাখতে হবে। একটা দল নয়, সবই দল থাকুক, অসুবিধা নেই তো। এবার অন্য কেউ দিতে পারছে না, সেটা তাঁদের সমস্যা। আর এই বিএলএ-দের পরিচয় তো আমরা কমিশনকে আগেই দিয়েছি। এনারা রাজনৈতিক দল ও কমিশনের মাঝের সেতু।’ মন্ত্রীর আরও অভিযোগ, ‘বিএলএ-২-দের শুনানি কেন্দ্রে না ঢুকতে দেওয়ার কোনও নির্দেশিকা নেই। তা হলে কীভাবে প্রশাসনিক কর্তারা বিএলএ-দের আটকাচ্ছেন?’
অবশ্য মন্ত্রীর এমন ‘আচরণ’ নিয়ে তির বিঁধেছে গেরুয়া শিবির। শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, ‘অনেক রাজ্য়েই এসআইআর হচ্ছে, কিন্তু যত সমস্যা তৈরি হয়েছে বাংলায়। কারণ তৃণমূল বুঝতে পারছে, এসআইআর ওদের বিরুদ্ধে চলে যাচ্ছে। ওরা কমিশনের কাছে না রাজ্য়ের নানা প্রান্তে বচসা করছে।’ যদিও এই সকল বিতর্কের পরে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে বিএলএদের ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হয়। মন্ত্রীর কথায় হল কাজ? সেই নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন।









