চম্পাহাটির বাজি কারখানায় ফের বিস্ফোরণ। শনিবার দুপুরে পরপর বিকট শব্দে কেঁপে উঠল গোটা এলাকা। গুরুতর আহত হয়েছেন ৪ জন, আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ওই বাজী কারখানায় চারবার বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। বিস্ফোরণের পর আশঙ্কাজনক অবস্থায় আহতের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ জল্পনা চলছিল, উঠছিল দুর্নীতির অভিযোগ; পদত্যাগ করলেন রবীন্দ্রনাথ ঘোষ
চম্পাহাটি থেকে যে ছবি সামনে আসছে, তাতে বোঝা যাচ্ছে বিস্ফোরণের তীব্রতা ঠিক কতটা ছিল। দেখা যাচ্ছে একটি বাড়ির ছাদ উড়ে গিয়েছে। কারখানার একাংশ ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে। একটি আস্ত গাছ উড়ে গিয়েছে। চম্পাহাটিতে এমন বিস্ফোরণের ঘটনা এই প্রথম নয়। বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও কীভাবে এই ঘটনা ঘটল, প্রশ্ন উঠছে।
জানা যাচ্ছে, এইসব কারখানায় বারুদের পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণ দাহ্য পদার্থ রাখা থাকে। বারুদ ও ওই দাহ্য পদার্থ এক জায়গায় রাখা হয় না। কোনও পৃথক সুরক্ষা বলয়ের মধ্যে রাখা হয় না। সেই অসাবধানতার কারণেই কি এই অবস্থা?
আরও পড়ুনঃ মাঘের আগেই বাঘের মতো শীত, দক্ষিণবঙ্গে পারদ নেমে গেল ৬ ডিগ্রির ঘরে! ঠান্ডার গ্রাফ ক্রমেই নামছে
রাজ্যে একাধিকবার বাজি কারখানায় এইভাবে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। কখনও এগরা, কখনও দত্তপুকুর, কখনও কল্যাণী, বারবার একই ঘটনা ঘটছে। তারপরও এই ঘটনায় প্রশাসনিক গাফিলতি নিয়েই প্রশ্ন উঠছে। পুলিশের নজরদারির অভাব নিয়েও উঠেছে অভিযোগ।
চম্পাহাটিতে বাজির ক্লাস্টার তৈরি করার জন্য জমি নির্ধারণ তৈরি করা হয়েছিল। গ্রাম থেকে দূরে বেগমপুর মউজায় বাজি হাব তৈরি হওয়ার কথা ছিল। স্থানীয় মানুষজনও চাইছেন, তাঁদের বাড়ি থেকে দূরে বাজি কারখানা তৈরি করা হোক। জমিও দান করেছিলেন অনেকে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সে ব্যাপারে কোনও সরকারি উদ্যোগ দেখা যায়নি বলেই অভিযোগ। তারই ফলস্বরূপ এই ঘটনা।
বিজেপি নেতা তাপস রায় বলেন, “আমরা বোমা-বারুদের উপরেই দাঁড়িয়ে আছি। এই সরকার যতদিন থাকবে, ততদিন এসব চলবে।”









