‘সব খেলার সেরা বাঙালির তুমি ফুটবল।’ দশকের পর দশক কেঁটে যায়, তবু ফুটবলের প্রতি বাঙালির ভালোবাসা অমলীন থেকে যায়। বিশ্বসেরা বিশ্বকাপ হোক কিংবা দেশের ক্লাব ফুটবল, প্রত্যেক ক্ষেত্রেই উন্মাদনা নজরকাড়া। বিশেষ করে কলকাতা ময়দানের তিন প্রধান তথা ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট এবং মহামেডান স্পোর্টিংকে নিয়ে বাঙালির মাতামাতি চিরন্তন। তাই তো পেলে-মারাদোনার মতো ফুটবল নক্ষত্রদের পাশাপাশি মোহন-ইস্টের প্রতি ভালোবাসা সব সময় নজরকাড়া গোটা দেশের।
বলাবাহুল্য ভারতবর্ষের সকল ফুটবলারদের স্বপ্ন থাকে একদিন তিন প্রধানের জার্সিতে মাঠে নামার। কিন্তু সেই সুযোগ পাওয়া যে সহজ নয়, বহু চড়াই-উতরাইয়ের পর স্বপ্ন পূরণের স্বাদ পান ফুটবলাররা। এক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে নিজেদের প্রমাণ করার সুযোগ।
এবার সমস্ত কিছু মাথায় রেখে বাংলার ক্ষুদে প্রতিভার সন্ধানে বিশেষ ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করল সেন্ট্রাল ক্যালকাটা ভেটারেন্স স্পোর্টস ক্লাব। যাদের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বাঙালির ফুটবল জনক তথা নগেন্দ্র প্রসাদ সর্বাধিকারী ও ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের প্রাক্তন সচিব তথা পল্টু দাসের স্মৃতি।
আরও পড়ুনঃ রাজ্যজুড়ে প্রধানত পরিষ্কার আকাশ; শীতের শেষ ইনিংসে বঙ্গের আজকের আবহাওয়া
পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী গতকাল অর্থাৎ ২৭শে জানুয়ারি থেকেই সেন্ট পলস স্কুলের ময়দানে শুরু হয়েছে এই অনূর্ধ্ব ১২ ফুটবল টুর্নামেন্ট। যেটি চলবে আগামী ৩০ শে জানুয়ারি পর্যন্ত। দুপুর দুটো থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত আয়োজিত হবে টুর্নামেন্টের প্রতিটি ম্যাচ। এই টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছে মোট আটটি স্কুলের ফুটবল দল। নিজেদের সেরাটা দিয়ে সাফল্য পাওয়ার লক্ষ্য প্রত্যেকের। সেইসাথে একক দক্ষতায় নজর কাড়ার সুবর্ণ সুযোগ থাকছে প্রত্যেক ফুটবলারের।
এই টুর্নামেন্ট প্রসঙ্গে সেন্ট পলস স্কুলের প্রধান শিক্ষক বলেন, ‘ ভেটারেন্স স্পোর্টস ক্লাব কলকাতার অতি পুরনো একটি সংস্থা। তাঁদের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই। উনারা যখন আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেন আমি প্রথমেই সম্মতি দিয়েছিলাম। এই টুর্নামেন্টের জন্য স্কুল সবরকম ভাবে পাশে থাকবে। সমস্ত ধরনের সাহায্য করবে। পশ্চিম মেদিনীপুর সহ শহরের মোট আটখানা স্কুল এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছে। আমি অনূর্ধ্ব ১২ এই টুর্নামেন্টে সাফল্য কামনা করি। আগামী দিনে এই টুর্নামেন্টে গিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রেও আমরা সহযোগিতা করব।’









