spot_img
Wednesday, 18 February, 2026
18 February
spot_img
HomeকলকাতাVegetable Prices Today: সবজির দাম মোটামুটি স্থিতিশীল, ক্রেতাদের জন্য স্বস্তি; আজ বাংলার...

Vegetable Prices Today: সবজির দাম মোটামুটি স্থিতিশীল, ক্রেতাদের জন্য স্বস্তি; আজ বাংলার বাজারে সবজির দামের হালচাল

শহরের বিভিন্ন খুচরো বাজারে শীতকালীন সবজির দাম মোটামুটি স্থিতিশীল রয়েছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

শীতের শেষভাগে কলকাতার বাজারে স্বস্তির হাওয়া বইছে। মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ শহরের বিভিন্ন খুচরো বাজারে শীতকালীন সবজির দাম মোটামুটি স্থিতিশীল রয়েছে। গত কয়েকদিনের তুলনায় দামে তেমন বড় ওঠানামা নেই, ফলে মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের জন্য বাজার করা কিছুটা সহজ হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ২০ ফেব্রুয়ারিতেই বুঝে যাবেন গরম কাকে বলে; বসন্তের ছোঁয়ায় আজ কেমন বাংলার আবহাওয়া

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আলু, পেঁয়াজ, ফুলকপি, বেগুনের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় সবজিগুলির দাম এখনও নাগালের মধ্যেই রয়েছে। শীতকালীন সবজির পর্যাপ্ত জোগান থাকায় খুচরো বাজারে দামের ওপর তেমন চাপ পড়েনি। বিশেষ করে নতুন আলু বাজারে আসায় আলুর দাম গত সপ্তাহের তুলনায় কিছুটা কমেছে, যা ক্রেতাদের জন্য স্বস্তির খবর।

আজকের সম্ভাব্য বাজারদর অনুযায়ী, জ্যোতি আলু বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ২৩ থেকে ২৫ টাকায়। পেঁয়াজের দাম ২০ থেকে ৩০ টাকার মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। ফুলকপি প্রতিটি ১৪ থেকে ২৫ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে, যা শীতের শেষেও বেশ সাশ্রয়ী। বেগুনের দাম কেজি প্রতি ২০ থেকে ৪২ টাকা, আর টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৩২ থেকে ৩৬ টাকায়।

কাঁচালঙ্কার দাম তুলনামূলকভাবে একটু বেশি, কেজি প্রতি ৬০ থেকে ৭৫ টাকার মধ্যে। আদা ও রসুনের দাম এখনও চড়া আদা কেজি প্রতি প্রায় ১০৯ টাকা এবং রসুন ১২৪ টাকার কাছাকাছি বিক্রি হচ্ছে। গাজরের দাম ৩২ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে ওঠানামা করছে, যা মান ও আকারভেদে পরিবর্তিত হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় কি উন্নয়ন হয়েছে! ছেলে গুয়াহাটি IIT-তে পড়ে, যুব সাথী ফর্ম তুললেন বাবা

বাজারের পাইকারি স্তরে শীতকালীন সবজির জোগান ভালো থাকায় খুচরো বাজারেও দামের ওপর চাপ কম। পাইকারি বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় খুচরো বিক্রেতারা তুলনামূলক কম দামে সবজি তুলতে পারছেন। ফলে ক্রেতারাও কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছেন। নতুন আলুর আগমনও দামের স্থিতিশীলতায় বড় ভূমিকা রেখেছে। কৃষকরা বিভিন্ন জেলা থেকে নতুন আলু বাজারে পাঠানো শুরু করায় সরবরাহ বেড়েছে। এর ফলে আলুর দাম কমতির দিকে গেছে, যা সাধারণ মানুষের রান্নাঘরের খরচ কমাতে সাহায্য করছে।

তবে সব সবজির ক্ষেত্রে একই চিত্র দেখা যাচ্ছে না। পটল, উচ্ছে, ঝিঙের মতো গ্রীষ্মকালীন সবজিগুলি এখনও অফ-সিজনে থাকায় তুলনামূলক বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। এই সবজিগুলির জোগান কম থাকায় বাজারে দাম কিছুটা চড়া রয়েছে। বিক্রেতাদের মতে, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে আগামী কয়েকদিন বাজারদর এইভাবেই স্থিতিশীল থাকতে পারে। তবে মার্চের দিকে গরম বাড়তে শুরু করলে কিছু সবজির দামে আবার পরিবর্তন আসতে পারে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন