“শুনে যা, শুনে যারে, খোলা রেখে কান, সবুজ মেরুন পতাকা বাতাসে টানটান…” যুবভারতী মানেই যেন মোহনভারতী। আইএসএলে ব্যাক টু ব্যাক জয় সবুজ মেরুনের। ম্যাকলারেন-দিমি ম্যাজিকে বিজয়রথ অব্যাহত মোহনবাগানের। ঘরের মাঠে চেন্নাইয়িনকে ঢেকে এনে
আরও পড়ুনঃ গণতন্ত্রের ‘স্পেশাল রিভিশন’; বাংলার শাসনব্যবস্থা কি খাদের কিনারায়?
বসন্তের ছোঁয়া দিল মেরিনার্সরা। প্রথমে কেরালা ব্লাস্টার্স, এবার চেন্নাইয়িন এফসি। অনবদ্য জয় পালতোলা নৌকার। ম্যাচ দেখে মনে হচ্ছিল যেন গঙ্গাপাড়ের ক্লাবকে আটকানোর সাধ্য কারোর নেই। ২-০ ব্যবধানে চেন্নাইয়িনকে সাফ করে দিল মোহনবাগান।
ম্যাচের প্রথম ৫ মিনিট চেন্নাইয়িনের রক্ষণ ভেদ একটু কঠিন হয়ে গিয়েছিল সবুজ মেরুনের কাছে। আক্রমণে গেলেও বার বার আটকে দিচ্ছিল ক্লিফোর্ডের টিম। ১০ মিনিট নাগাদ একটি কর্নার পায় মোহনবাগান। রবসনের কর্নার শট ধরে দুরন্ত শট নেন অনিরুদ্ধ থাপা। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত গোলপোস্টের উপর দিয়ে বেরিয়ে যায় বল। ২০ মিনিটের মাথায় একটি সুন্দর সুযোগ তৈরি হয়েছিল মেরিনার্সদের কাছে। যদিও তা সেভ করে দেন চেন্নাইয়িনের গোলরক্ষক।
প্রথমার্ধের সংযুক্ত সময়ে ৪৫+৪ মিনিটে অবশেষে এল সেই বহু প্রতীক্ষিত গোল। থ্রু বল ধরে ঠান্ডা মাথায় ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে গোল করেন জেমি ম্যাকলারেন। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় সবুজ মেরুন। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই একের পর এক আক্রমণে যেতে থাকে সের্জিও লোবেরার ছেলেরা। ৬২ মিনিট নাগাদ চেন্নাইয়িনের বক্সের ভিতরে ভাসিয়ে একটি সুন্দর ক্রস দেন শুভাশিস বোস। কিন্তু সুবর্ণসুযোগ হারাল মেরিনার্সরা।
৬৫ মিনিটের মাথায় শুভাশিস বোসের ভাসানো ক্রস থেকে গোল করে ব্যবধান বাড়ান সবুজ মেরুনের আদরের দিমিত্রি পেত্রাতোস। তারপরই সেই চিরাচরিত স্টেনগান সেলিব্রেশন করেন দিমি। আক্রমণে গেলেও গোলের খাতা খুলতে ব্যর্থ চেন্নাইয়িন এফসি। স্কোরলাইন ২-০।









