এলপিজি সরবরাহ বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে, তবে জ্বালানি সঙ্কট যে পুরোপুরি কেটে গিয়েছে, তা নয়। লাগাতার বাড়ছে পেট্রোল-ডিজেলের দাম। এবার কি এলপিজি সিলিন্ডারের দামও বাড়বে? জুন মাস থেকে এলপিজি সিলিন্ডার নিয়ে একাধিক নিয়মে পরিবর্তন আসতে পারে। কী কী সেই পরিবর্তন, জেনে রাখুন-
পেট্রোল-ডিজেলের দাম বেড়েছে, এবার এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বৃদ্ধির সম্ভাবনা প্রবল। ইতিমধ্যেই অয়েল মার্কেটিং সংস্থাগুলি বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম সর্বোচ্চ বৃদ্ধি করেছে। বর্তমানে ১৯ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৩২০০ টাকার বেশি। তবে গৃহস্থের বাড়িতে ব্যবহৃত ১৪.২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম সেরকমভাবে বাড়েনি। এবার এই সিলিন্ডারেরও দাম বাড়তে পারে। শোনা যাচ্ছে, ১৪.২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৫০ টাকা করে বাড়তে পারে।
আরও পড়ুনঃ ‘CID কী? এদের ED-CBI-এর কাছেই মাথা নত করিনি’; CID হানা নিয়ে অভিষেক
প্রসঙ্গত, প্রতি মাসের শুরুতেই অয়েল মার্কেটিং সংস্থাগুলি আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত পেট্রোলিয়ামের দাম পর্যালোচনা করে দেশে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ায় বা কমায়।
বর্তমানে একটি গ্যাস ডেলিভারির পর পরবর্তী গ্যাস বুকিংয়ের ক্ষেত্রে ৪৫ দিনের লক ইন পিরিয়ড রয়েছে গ্রামাঞ্চলের জন্য। শহরতলির জন্য এই সময়ের ব্যবধান ২৫ দিন রাখা হয়েছিল। এই সময়সীমায় এবার পরিবর্তন করা হতে পারে।
আরও পড়ুনঃ সই জাল কাণ্ডে বেকায়দায় অভিষেক! CID অভিযান শান্তিনিকেতনে
গত ২৫ মে কেন্দ্রীয় সরকার এলপিজি সংযোগের নিয়মে পরিবর্তন করেছে। পিএনজি সংযোগ নেওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে এলপিজি কানেকশন বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জ্বালানি সঙ্কটের মাঝে কেন্দ্রীয় সরকার কড়া নিয়ম এনেছে ‘এক বাড়ি, এক গ্যাস কানেকশনে’র। অর্থাৎ কেউ একসঙ্গে এলপিজি ও পিএনজি কানেকশন রাখতে পারবেন না।
যাদের পিএনজি সংযোগ রয়েছে, তারা আর নতুন করে এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে পারবেন না।



