চিকেনস নেক’ বা ‘শিলিগুড়ি করিডর’-এর নিরাপত্তা বিষয়ে সরজমিনে দেখা করতে বাংলায় আসছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
বৈঠক ও নিরাপত্তা পরিকল্পনা:
- তারিখ ও স্থান: ১৮ জুলাই শিলিগুড়ির উত্তরকন্যায় উচ্চপর্যায়ের নিরাপত্তা বৈঠক।
- আলোচ্য বিষয়:
- ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত নিরাপত্তা,
- সীমান্ত এলাকা উন্নয়ন,
- অনুপ্রবেশ রোধ,
- জমি হস্তান্তর সংক্রান্ত বিষয়।
- উপস্থিত থাকবেন:
- মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী,
- মুখ্য সচিব,
- সীমান্তবর্তী জেলাগুলোর জেলাশাসক ও পুলিশ সুপাররা।
সীমান্ত সুরক্ষা ও জমি হস্তান্তর:
- তৃণমূল সরকারের সময় বিএসএফকে সীমান্ত বেড়া তৈরির জন্য জমি দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ ছিল, যা এখন শুভেন্দু অধিকারীর সরকার মেটিয়েছে।
- ১০ জুলাই পর্যন্ত রাজ্য সরকার বিএসএফকে মোট ১০২৫.৭৫ একর জমি হস্তান্তর করেছে, যা ১৭২.৬০৯২২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের।
- সর্বোচ্চ জমি দেওয়া হয়েছে মুর্শিদাবাদ জেলায়, সর্বনিম্ন জলপাইগুড়িতে।
- অন্যান্য জেলা জমি হস্তান্তর:
- মালদহ: ১৭৬.৭৮ একর,
- দক্ষিণ দিনাজপুর: ২৬.৪১ একর,
- উত্তর দিনাজপুর: ৬.৬১ একর,
- দার্জিলিং: ৪.৩১ একর,
- কোচবিহার: ১৩৫.৩৩ একর,
- জলপাইগুড়ি: ২.১৭ একর।
ন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজিক রিজিওন (এনএসআর) পরিকল্পনা:
- শিলিগুড়িকে ‘ন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজিক রিজিওন’ হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে, যা ‘চিকেনস নেক’ এর নিরাপত্তা উন্নত করবে।
- পূর্বে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের সম্পর্কের কারণে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হয়নি।
সীমান্তের বিস্তার ও নিরাপত্তার অবস্থা:
- উত্তরবঙ্গের ৬ জেলা মিলে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত প্রায় ১,৪০০ কিলোমিটার।
- নদী ও জমির সমস্যার কারণে ১৯৫ কিলোমিটার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নেই।
- নদীর পার্শ্বেও নিরাপত্তা পুরোপুরি সুনিশ্চিত হয়নি।
- বিএসএফের টহল বাড়ানো হয়েছে সীমান্ত সুরক্ষার জন্য।
- সীমান্ত দৈর্ঘ্য জেলা অনুযায়ী:
- কোচবিহার: ৫৫০ কিলোমিটার,
- দক্ষিণ দিনাজপুর: ২৫০ কিলোমিটার,
- উত্তর দিনাজপুর: ২২৭ কিলোমিটার।
- নেপাল-ভারত সীমান্ত দৈর্ঘ্য: ১,৭৫১ কিলোমিটার।
আরও পড়ুনঃ ‘তুমি চোখে দেখো না, কানে দেখো’, মমতাকে ভর্ৎসনা কেষ্টর
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফর ও বৈঠক থেকে ‘চিকেনস নেক’ এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার প্রত্যাশা রয়েছে।


