এবার শিক্ষা ব্যবস্থায় আসতে চলেছে এক অভিনব পরিবর্তন। কারণ ৯০ এর দশক পর্যন্ত নাচ গান অথবা আঁকার শেখার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ ছিল প্রথাগত পাঠক্রমের বাইরে। তবে সে বিষয়ে যতই আকর্ষণ থাকুক না কেন, মূল পড়াশোনা বাদ দিয়ে এই সব চর্চা করায় ছিল নিষেধাজ্ঞা। যার ফলে মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিকের মতো বড় পরীক্ষার আগে বহু ছাত্র-ছাত্রী ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছে নাচ অথবা গান কিংবা আঁকা।
আরও পড়ুনঃ বামেদের অন্দরে এখন শুধুমাত্র ফিসফাস; লাল পতাকার গায়ে এখন সন্দেহের শ্বাস ও ত্রাস!
তবে এবার থেকে আর নাচ, গান, আঁকা এই বিষয়গুলিতে আর কোন সীমাবদ্ধ থাকছে না। বরং ছোট থেকে পড়ুয়াদের মধ্যে নানা রকমের এক্সট্রা কারিকুলাম সত্তার বহিঃপ্রকাশ ঘটানোর জন্য স্কুলের বার্ষিক ফলাফলে তার প্রতিফলন চাইছে শিক্ষা দফতর।
এই বিষয়ে স্কুল শিক্ষা দফতরের সূত্রের তরফ থেকে জানা গেছে, চলতি বছর থেকে প্রাথমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে গান, নাচ, নাটক, আবৃত্তি বা রকমারি কাগজ দিয়ে নানা আকৃতি তৈরি করার প্রশিক্ষণ। পাশাপাশি বার্ষিক মূল্যায়নে যুক্ত হবে এই কো-কারিকুলাম-এর নম্বরও। আর এতে আশার আলো দেখছেন শিক্ষকেরা।
আরও পড়ুনঃ বঙ্গভূমি আদিশক্তির বাসস্থান; রানাঘাট মহিষমর্দিনী পূজা
প্রসঙ্গত, বিভিন্ন ইংরেজি মাধ্যম বেসরকারি স্কুলে ইতিমধ্যে এই বিষয়ে আলাদা আলাদা ক্লাসের ব্যবস্থা রয়েছে। এবং বাধ্যতামূলকভাবে পড়ুয়াদের এই সমস্ত বিষয়ে পড়াশোনা করতে হয়। তার ভিত্তিতে হয় মূল্যায়ন। কিন্তু এতদিন রাজ্যের স্কুলগুলিতে এই সুবিধা ছিল না। তবে এবার রাজ্যের বড় সংখ্যক পড়ুয়ারা তাদের স্কুলের নাচ গান বা আবৃত্তিতে প্রশিক্ষণ নিতে পারবেন যে নে খুশি হয়েছেন অভিভাবকেরা।
কিন্তু প্রশ্ন পড়ুয়াদের এই সমস্ত বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য, প্রয়োজন শিক্ষক বা শিক্ষিকা। এই বিষয়ে দফতরের এক কর্তা জানান, ডিএলএড বা বিএড-এর সময় শিক্ষকেরা এই বিষয়ে প্রাথমিক ভাবে প্রশিক্ষণ নেন। তারা ছাত্রছাত্রীদের এই বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিতে পারবেন।” তিনি আরও জানান, পরীক্ষার মার্কশিটগুলিতে এই বিষয়ের নম্বর উল্লেখ থাকলেও পরবর্তী ক্ষেত্রে পড়ুয়াদের কিছু সুবিধা তো থাকবেই। এ ছাড়া, কার কোন দিকে আগ্রহ রয়েছে সেটাও বোঝা যাবে।









