ইরানের ‘সুপ্রিম’ লিডার আলি খামেইনির হত্যার পর নতুন মোড় নিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত। কিন্তু বহুদিন ধরেই মধ্যপ্রাচ্যে চলছে অশান্তি, এখন আচমকা খামেইনিকে কেন নিধন করা হল? এবার সেই জবাব দিল ইজরায়েল।
আরও পড়ুনঃ আয়াতোল্লাহ কি সত্যিই ভারতের বন্ধু ছিলেন! না কি এটা কেবল সোশ্যাল মিডিয়ার বানানো গল্প?
সোমবার ইজরায়েলের বিদেশমন্ত্রী গিডিয়ন সা’আর জানান যে, ইরানের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ইজরায়েলের জন্য সরাসরি অস্তিত্বের সঙ্কট তৈরি করছিল। তাই এই পরিস্থিতিতে পদক্ষেপ না নেওয়াই আরও বিপজ্জনক হত বলে দাবি ইজরায়েলের।
সা’আরের দাবি, ইরান খুব দ্রুত তাদের পারমাণবিক কর্মসূচিকে একটি গুপ্ত স্থানে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করছিল, যেখানে আকাশপথে ইজরায়েল বা আমেরিকার পক্ষে কার্যকর হামলা চালানো কঠিন হয়ে পড়ত। একই পরিকল্পনা ছিল ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির ক্ষেত্রেও।
আরও পড়ুনঃ আরও এক যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত! দাবি পাক প্রেসিডেন্ট জ়ারদারির
তাঁর কথায়, এতে ইরান কার্যত যা খুশি তাই করার সুযোগ পেত। তাঁর দাবি, তেহরান আমেরিকার নির্ধারিত ‘রেড লাইন’ মানছিল না। তিনি আরও জানান যে, ইরান বিনা প্ররোচনায় অন্য আরব দেশগুলিতেও হামলা চালিয়েছে এবং সাম্প্রতিক বিক্ষোভে নিজেদের নাগরিকদের উপর দমনপীড়ন চালিয়েছে। এইসব কারণেই খামেইনির বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি হয়ে পড়ে বলে দাবি ইজরায়েলি মন্ত্রীর।
উল্লেখ্য, গত শনিবার ভোরে আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানে তেহরানে খামেনেই নিহত হন। ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে চালানো এই অভিযানে তেহরানের একটি সুরক্ষিত কমপাউন্ডে বিমান হামলা হয়, যেখানে খামেনেই উপস্থিত ছিলেন বলে জানা যায়। এদিন সকালেই তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে ইরানি সংবাদমাধ্যম।









