spot_img
Tuesday, 10 March, 2026
10 March
spot_img
HomeদেশESMA: দেশজুড়ে কার্যকর হল ‘জরুরি’ আইন; বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের

ESMA: দেশজুড়ে কার্যকর হল ‘জরুরি’ আইন; বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের

এ যেন জরুরি অবস্থার থেকে কিছু কম নয়।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

এ যেন জরুরি অবস্থার থেকে কিছু কম নয়। পশ্চিম এশিয়ায় চলা যুদ্ধের জেরে ব্যাহত হয়েছে অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ। ইতিমধ্যেই দেশের বড় বড় শহরে বন্ধের পথে একাধিক হোটেল-রেস্তরাঁ। দাম বেড়েছে রান্নার গ্যাসের।

মধ্যপ্রাচ্যে ঘনীভূত যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেই দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে বড়সড় পদক্ষেপ করল ভারত সরকার। দেশে পেট্রোলিয়াম, পেট্রোলিয়াম জাত পণ্য এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের নিরবfচ্ছিন্ন জোগান ও সুষম বণ্টন বজায় রাখতে এবার ১৯৫৫ সালের ‘অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন’ প্রয়োগ করল কেন্দ্র।

আরও পড়ুনঃ দেশজুড়ে আতঙ্ক! এক-এক করে বন্ধ হচ্ছে হোটেল-রেস্তরাঁ

কেন এই কড়া পদক্ষেপ?

আমেরিকা-ইজরায়েল ও ইরানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সংঘাতের জেরে বিশ্বজুড়ে ‘সাপ্লাই চেন’ বা পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থায় বড়সড় ধাক্কা লাগার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ‘হরমুজ প্রণালী’-র মতো গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক পথ দিয়ে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ভারত তার এলপিজি (LPG) চাহিদার বড় অংশই পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলি থেকে আমদানি করে। এই পরিস্থিতিতে অসাধু ব্যবসায়ীরা যাতে যুদ্ধের গুজবে এলপিজি বা পেট্রোল-ডিজেলের মজুতদারি করে বাজারে কৃত্রিম আকাল তৈরি করতে না পারে, তা রুখতেই এই কড়া আইন বলবৎ করা হয়েছে।

তবে কেন্দ্র দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে জানিয়েছে, দেশে এখনই জ্বালানির কোনও ঘাটতি নেই এবং পুরো পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে।

সংসদে উদ্বেগ প্রকাশ জয়শঙ্করের 

সোমবার সংসদে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও পশ্চিম এশিয়ার এই যুদ্ধ পরিস্থিতিকে “গভীর উদ্বেগের বিষয়” বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি জানান, আন্তর্জাতিক সাপ্লাই চেন এবং জ্বালানির বাজারে এর কী প্রভাব পড়তে পারে, সেদিকে সরকার নজর রাখছে। এই অস্থিরতা চলতে থাকলে তা ভারতের অর্থনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ বাড়তি চাপ পকেটে, কলকাতার বিভিন্ন রুটে বাড়ছে অটো ভাড়া!

কী এই ‘অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন’?

১৯৫৫ সালে তৈরি এই আইনের মূল লক্ষ্য হল দেশে ন্যায্য মূল্যে প্রয়োজনীয় জিনিসের জোগান ঠিক রাখা এবং কালোবাজারি রুখে দেওয়া।এই ধারা অনুযায়ী, কেন্দ্র সরকার চাইলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উৎপাদন, সরবরাহ এবং বণ্টন নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। মজুতদারির সীমা এবং দামও বেঁধে দিতে পারে তারা।

৫ নম্বর ধারা: এই ধারা প্রয়োগ করে কেন্দ্র তার ক্ষমতা রাজ্য সরকার বা স্থানীয় আধিকারিকদের হাতেও তুলে দিতে পারে, যাতে তৃণমূল স্তরে দ্রুত ও কড়া ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

২০২০ সালে এই আইনে একটি সংশোধনী এনে বলা হয়েছিল, যুদ্ধ বা বড় কোনও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মতো ‘অসাধারণ পরিস্থিতিতেই’ কেন্দ্র এই আইন প্রয়োগ করতে পারবে। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি সেই মানদণ্ডেই পড়ছে।

তেল শোধনাগারগুলিকে কড়া নির্দেশ

এই আইনের অধীনে এলপিজি সহ সমস্ত পেট্রোলিয়াম পণ্যকে “অত্যাবশ্যকীয় পণ্য” হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই দেশের সমস্ত তেল শোধনাগার বা রিফাইনারিগুলিকে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ এলপিজি উৎপাদন সর্বোচ্চ মাত্রায় বাড়াতে হবে। সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য রান্নার গ্যাসের জোগানকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। এলপিজি সরবরাহে যাতে কোনও ঘাটতি না হয়, তার জন্য পেট্রোকেমিক্যাল উৎপাদনের কাজে প্রোপেন ও বিউটেন ডাইভার্ট করা থেকে রিফাইনারিগুলিকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

 

 

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন