কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর বদলে গেল একাধিক আসনের সমীকরণ!
আগে করা জনমত সমীক্ষার সঙ্গে বর্তমান বাস্তব ছবির ফারাক এখন স্পষ্ট—কোথাও কংগ্রেস এগিয়ে, কোথাও নতুন করে ঢুকছে বিজেপি।
আরও পড়ুনঃ একলা চলার সিদ্ধান্তে বারবার ধাক্কা! সোমেন-পুত্রকে নিয়ে ধুন্ধুমার, রক্তারক্তি কাণ্ড বিধান ভবনে
কিছুদিন আগে আমরা যে জনমত সমীক্ষা প্রকাশ করেছিলাম, সেটি প্রায় ১৬-১৭ লক্ষ মানুষ দেখেছেন। তখন কোনও দলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশিত হয়নি।
এখন কংগ্রেস প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে নতুন করে বিশ্লেষণ করতে হচ্ছে—
চাকুলিয়া – সমীক্ষায় এগিয়ে ছিল তৃণমূল। কিন্তু কংগ্রেস ভিক্টরকে প্রার্থী করার পর লড়াই এখন সরাসরি কংগ্রেস বনাম তৃণমূল। বিজেপি অনেকটাই পিছনে। এই আসনে কংগ্রেসের জয় কার্যত নিশ্চিত।
ইটাহার – আগে তৃণমূলের দখলে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু কংগ্রেস অমল আচার্যকে প্রার্থী করার পর বদলে গেল সমীকরণ। তিনি তৃণমূলের বড় অংশের ভোট কাটতে পারেন, সেটা কমপক্ষে ২০-২৫ হাজার। ফলে এখানে বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে চমক দেখাতে পারেন কংগ্রেসও।
হরিরামপুর – সমীক্ষায় এগিয়ে ছিলেন মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র। কিন্তু কংগ্রেস প্রার্থী সোনা পালের এন্ট্রিতে লড়াই বদলে গেছে। বিপ্লব মিত্র তৃতীয় হলেও অবাক হওয়ার কিছু নেই। এই আসনে বিজেপি এগিয়ে।
মালতীপুর – তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে ধরা হচ্ছিল। কিন্তু মৌসম নুরকে প্রার্থী করায় কংগ্রেস এখানে শক্ত অবস্থানে। নিশ্চিত ভাবেই জয়ী হতে চলেছেন মৌসম।
সুজাপুর – আগে থেকেই কংগ্রেসের দিকেই ছিল পাল্লা ভারী। আব্দুল হান্নানকে প্রার্থী করায় সেই জয় আরও নিশ্চিত হয়েছে।
বহরমপুর – সমীক্ষা অনুযায়ী কংগ্রেসের নিশ্চিত জয়। অধীর চৌধুরী ১৫-২০ হাজার ভোটে জয়ী হবেন।
হাসান – সমীক্ষা অনুযায়ী এখানে জেতার কথা তৃণমূলের, কিন্তু মিল্টন রসিদ-কে প্রার্থী করেছে কংগ্রেস। এই আসনে সমানে সমানে লড়াই হবে কংগ্রেস-তৃনমূল-বিজেপির। শেষ পর্যন্ত অল্প ভোটে জয়ীও হতে পারেন কংগ্রেস প্রার্থী।
আরও পড়ুনঃ SIR-এর ধাক্কা! বাংলার ১০০ আসনে ‘সাইলেন্ট সুইং’—২০২৬-এ বদলে যেতে পারে ক্ষমতার অঙ্ক
বালিগঞ্জ – এই আসনে অনেকটাই এগিয়ে তৃণমূল, কিন্তু তৃণমূলের জয়ে সমস্যা বাড়াবেন কংগ্রেস প্রার্থী রোহন মিত্র। তৃনমূল-বিজেপি-কংগ্রেস এই আসনে লড়াই দেবে প্রায় সমানে সমানে।
এছাড়াও কংগ্রেসের দখলে আসতে পারে বেলডাঙা, মোথাবাড়ি এবং রতুয়া আসন। সব মিলিয়ে, বর্তমান পরিস্থিতিতে কংগ্রেস ৮-১০ টি আসনে জয় পেতে পারে—যা নির্বাচনের সমীকরণে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।



